রবিবার, ৯ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

(এই) সেই (মহা) গ্রন্থ (আল কোরআন), তাতে (কোনো) সন্দেহ নেই, যারা (আল্লাহ তায়ালাকে) ভয় করে (এই কিতাব কেবল) তাদের জন্যেই পথ প্রদর্শক, যারা গায়েবের উপর ঈমান আনে, যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, তাদের আমি যা কিছু দান করেছি তারা তা থেকে (আমার নির্দেশিত পথে) ব্যয় করে, যারা তোমার ওপর যা কিছু নাযিল করা হয়েছে তার উপর ঈমান আনে- (ঈমান আনে) তোমার আগে (অন্য নবীদের ওপর) যা কিছু নাযিল করা হয়েছে তার ওপর, (সর্বোপরি) তারা পরকালের ওপরও দৃঢ় বিশ্বাস রাখে। (সত্যিকার অর্থে) এ লোকগুলোই তাদের মালিকের (দেখানো) সঠিক পথের ওপর রয়েছে এবং এরাই হচ্ছে সফলকাম, যারা (এ বিষয়গুলো) অস্বীকার করে, তাদের তুমি (পরকালের কথা বলে) সাবধান করো আর না করো, (কার্যত) উভয়টাই (তাদের জন্যে) সমান (কথা), এরা কখনো ঈমান আনবে না।

- সূরা আল বাক্বারা (আয়াত ২-৬)



তুমি তো কেবল এমন লোককেই সর্তক করতে পারো যে (আমার) উপদেশ মেনে চলে এবং (সে অনুযায়ী) দয়াময় আল্লাহ তায়ালাকে না দেখে ভয় করে, (হ্যাঁ যে আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে) তুমি তাকে ক্ষমা ও মহা প্রতিদানের সুসংবাদ দান করো।

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ১১)



অবশ্যই এ কোরআন এমন এক পথের দিকে নির্দেশনা দেয় যা অতি (সরল ও) মযবুত এবং যেসব ঈমানদার মানুষ নেক আমল করে, এ (কেতাব) তাদের (এ) সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে (আল্লাহর কাছে) এক মহাপুরস্কার রয়েছে।

- সূরা বনী ঈসরাঈল (আয়াত ৯)



যে ব্যক্তি হেদায়েতের পথে চলবে, সে তো চলবে একান্তভাবে নিজের (ভালোর) জন্যে, যে ব্যক্তি গোমরাহ হবে তার গোমরাহীর দায়িত্ব অবশ্যই তার উপর; (আসল কথা হচ্ছে, সেদিন) কেউই অন্য কারো (গুনাহের) ভার বইবে না; আর আমি কখনোই (কোন জাতিকে) আযাব দেই না, যতোক্ষণ না আমি (সেখানে আযাব থেকে সতর্ককারী) কোনো রসূল না পাঠাই।

- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ১৫)



কোনো ব্যক্তি দ্রুত (দুনিয়ার সুখ সম্ভোগ) পেতে চাইলে আমি তাকে এখানে তার জন্যে যতোটুকু দিতে চাই তা সত্বর দিয়ে দেই, (কিন্তু) পরিশেষে তার জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করে রাখি, যেখানে সে প্রবেশ করবে একান্ত নিন্দিত, অপমানিত ও বিতারিত অবস্থায়। (অপরদিকে) যারা আখেরাতে (ও তার সাফল্য) কামনা করে এবং তা পাওয়ার জন্যে যে পরিমাণ চেষ্টা করে, (সর্বোপরি) যারা হয় (সত্যিকার) মোমেন, (মূলত) তারাই হচ্ছে এমন লোক যাদের চেষ্টা সাধনা (আল্লাহর দরবারে) স্বীকৃত হয়।

- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ১৮-১৯)



তোমার মালিক আদেশ করেছেন, তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ইবাদত করো না এবং তোমরা (তোমাদের) পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো; তাদের একজন কিংবা উভয়ই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তাহলে তাদের (সাথে) বিরক্তিসূচক কিছু বলো না এবং কখনো ধমক দিয়ো না, তাদের সাথে সম্মানজনক ভদ্রনোচিত কথা বলো। অনুকম্পায় তুমি ওদের প্রতি বিনয়াবনত থেকো এবং বলো হে (আমার) মালিক, ওদের প্রতি (ঠিক সেভাবেই) তুমি দয়া করো, যেমনি করে শৈশবে ওরা আমাকে লালন পালন করেছিলো। (আসলে) তোমাদের মালিক তোমাদের অন্তরসমূহের ভেতর যা আছে তা ভালো করেই জানেন; তোমরা (সত্যই) যদি ভালো মানুষ হয়ে যাও তাহলে (আল্লাহ তায়ালা তা মাফ করে দেবেন, কেননা), যারা তাওবা করে তিনি তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেন।

- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ২৩-২৫)
 
 
 
 

শুক্রবার, ৭ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

(হে নবী,) আল্লাহর শপথ, তোমার আগেও আমি জাতিসমূহের কাছে নবী পাঠিয়েছিলাম, অতপর শয়তান তাদের (খারাপ) কাজসমূহ তাদের জন্যে শোভনীয় করে দিয়েছিলো, সে (শয়তান) আজো বন্ধু হিসেবেই (হাযির) আছে, তাদের (সবার) জন্যেই রয়েছে কঠোর আযাব। (হে নবী,) আমি তোমরা ওপর (এ) কেতাব এ জন্যেই নাযিল করেছি যেন তুমি তাদের সামনে সে বিষয়সমূহ সুস্পষ্ট করে পেশ করতে পারো, (যে বিষয়ের মধ্যে) তারা মতবিরোধ করেছে, বস্তুত এ (কেতাব) হচ্ছে ঈমানদার লোকদের জন্যে হেদায়াত ও (আল্লাহ তায়ালার) অনুগ্রহস্বরূপ।

- সূরা আন নাহল (৬৩-৬৪)
 
 
অবশ্যই তোমাদের জন্যে গৃহপালিত জন্তু জানোয়ারের মাঝে (প্রচুর) শিক্ষার বিষয় রয়েছে, তাদের উদরিস্থিত (দুর্গন্ধময়) গোবর ও (নাপাক) রক্তের মধ্য থেকে নিসৃত (পানীয়) খাঁটি দুধ আমিই তোমাদের পান করাই, পানকারীদের জন্যে (এটি) বিশুদ্ধ ও সুস্বাদু। খেজুর এবং আঙ্গুর ফলের মধ্যেও (শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে), তা থেকে তোমরা নেশাকর (হারাম) জিনিষ যেমন বের করে আনছো, তেমনি (তা থেকে হালাল এবং) উত্তম রেযেকও তোমরা লাভ করছো, নিসন্দেহে এতে (আল্লাহর কুদরতের) অনেক নিদর্শন আছে তাদের জন্যে, যারা জ্ঞান সম্পন্ন সম্প্রদায়ের লোক। তোমার মালিক মৌমাছিকে নির্দেশ দিয়েছেন, পাহাড়ের (গায়ে) গাছে (-র ডালে) এবং (অন্য কিছুর ওপর) যা তোমরা বানাও তার ওপর নিজেদের থাকার ঘর নির্মান করো, তারপর প্রত্যেক ফল থেকে (রস আহরণ করে তা) খেতে থাকো, অতপর তোমার মালিকের (নির্ধারিত) পথ ধরে পূর্ণ আনুগত্যের সাথে (সেদিকে) এগিয়ে চলো; (এভাবে) তার পেট থেকে রং বেরঙ্গের পানীয় (দ্রব্য) বের হয়, যার মধ্যে মানুষদের নিরাময়ের ব্যবস্থা রয়েছে; (অবশ্য) এতেও নিদর্শন রয়েছে সে সম্প্রদায়ের জন্যে, যারা (আল্লাহর এ সৃষ্টি বৈচিত্র নিয়ে) চিন্তা করে।

- সূরা আন নাহল (৬৬-৬৯)
 
 
আল্লাহ তায়ালা তোমাদের মায়ের পেট থেকে (এমন এক অবস্থায়) বের করে এনেছেন যে তোমরা (তার) কিছুই জানতে না, অতপর তিনি তোমাদের কান, চোখ ও দিল দিয়েছেন, যাতে করে তোমরা শোকর আদায় করতে পারো।

- সূরা আন নাহল (আয়াত ৭৮)
 

বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

তিনি (ক্ষুদ্র একটি) শুক্রকণা থেকে (যে) মানুষ তৈরী করেছেন- (আশ্চর্যের ব্যাপার!) সে (এখানে এসে স্বয়ং তার স্রষ্টার সাথেই) প্রকাশ্য বিতর্ককারী বনে গেল!

- সূরা আন নাহল (আয়াত ৪)


(হে মানুষ,) তোমাদের মাবুদ তো একজন (তিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো মাবুদ নেই), অতপর যারা পরকালের উপর ঈমান আনে না তাদের অন্তরসমূহ (এমনিই সত্য) অস্বীকারকারী হয়ে পড়ে এবং এরা নিজেরাও হয় (দারুণ) অহংকারী। নিসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা জানেন, এরা যা কিছু গোপন করে এবং যা কিছু প্রকাশ করে, তিনি কখনো অহংকারীদের পছন্দ করেন না।

- সূরা আন নাহল (আয়াত ২২-২৩)


চিরস্থায়ী এক জান্নাত- যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হবে, (উপরন্তু) সেখানে যা কিছুই কামনা করবে তাই তাদের জন্যে (সরবরাহের ব্যবস্থা) থাকবে; এভাবেই আল্লাহ তায়ালা পরহেযগার ব্যক্তিদের (তাদের নেক কাজের) প্রতিফল দান করেন, এরা হচ্ছে তারা, ফেরেশতারা যাদের পবিত্র অবস্থায় মৃত্যু ঘটাবে, তারা (তাদের উদ্দেশে) বলবে, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, (দুনিয়ায়) তোমরা যে আমল করতে তারই কারণে আজ তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো।

- সূরা আন নাহল (আয়াত ৩১-৩২)

বুধবার, ৫ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

অবশ্যই আমি তোমাকে সাত আয়াত (বিশিষ্ট একটি সূরা) দিয়েছি, যা (নামাযের ভেতর ও বাইরে) বার বার পঠিত হয়- আরো দিয়েছি (জীবন বিধান হিসেবে) মহান (গ্রন্থ) কোরআন।

- সূরা আল হেজর (আয়াত ৮৭)


(হে নবী,) যতোক্ষণ পর্যন্ত তোমার কাছে নিশ্চিত (মৃত্যুজনিত) ঘটনা না আসবে ততোক্ষণ পর্যন্ত তুমি তোমার মালিকের এবাদত করতে থাকো।

- সূরা আল হেজর (আয়াত ৯৯)

মঙ্গলবার, ৪ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

সে বললো, হে আমার মালিক, তুমি যেভাবে (আজ) আমাকে পথভ্রষ্ট করে দিলে (আমিও তোমার শপথ করে বলছি), আমি মানুষদের জন্যে পৃথিবীতে তাদের (গুনাহের কাজসমূহ) শোভন করে তুলবো এবং তাদের সবাইকে আমি পথভ্রষ্ট করে ছাড়বো, তবে তাদের মধ্যে যারা তোমার খাঁটি বান্দা তাদের কথা আলাদা।

- সূরা আল হেজর (আয়াত ৩৯-৪০)

সোমবার, ৩ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

হে নবী,) তুমি কখনো মনে করো না, এ যালেমরা যা কিছু করে যাচ্ছে তা থেকে আল্লাহ তায়ালা গাফেল রয়েছেন; (আসলে) তিনি তাদের সেদিন আসা পর্যন্ত অবকাশ দিয়ে রাখছেন যেদিন (তাদের) চক্ষু স্থির হয়ে যাবে।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ৪২)




(সোজা পথে) এরা (বিভিন্ন) চক্রান্তের পন্থা অবলম্বন করেছে, আল্লাহর কাছে তাদের সেসব চক্রান্ত লিপিবদ্ধ আছে; যদিও তাদের সে চক্রান্ত (দেখে মনে হচ্ছিলো তা বুঝি) পাহাড় টলিয়ে দিতে পারবে!

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ৪৬)
 
 
(এ কোরআন) হচ্ছে মানুষের জন্যে এক (মহা) পয়গাম, যাতে করে এ (গ্রন্থ) দিয়ে (পরকালীন আযাবের ব্যাপারে) তাদের সতর্ক করে দেয়া যায়, তারা যেন (এর মাধ্যমে) এও জানতে পারে, তিনিই একমাত্র মাবুদ, (সর্বোপরি) বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরা যাতে করে (এর দ্বারা) উপদেশ গ্রহণ করতে পারে।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ৫২)

রবিবার, ২ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

যখন বিচার ফয়সালা হয়ে যাবে তখন শয়তান জাহান্নামীদের বলবে, আল্লাহ তায়ালা তোমদের সাথে (যে) ওয়াদা করেছেন তা (ছিলো) সত্য ওয়াদা, আমিও তোমাদের সাথে (একটি) ওয়াদা করেছিলাম, কিন্তু আমি তোমাদের সাথে ওয়াদার বরখেলাপ করেছি; (আসলে) তোমাদের ওপর আমার তো কোনো আধিপত্য ছিলো না, আমি তো শুধু এটুকুই করেছি, তোমাদের (আমার দিকে) ডেকেছি, অতপর আমার ডাকে তোমরা সাড়া দিয়েছো, তাই (আজ) আমার প্রতি তোমরা (কোন রকম) দোষারোপ করোনা, বরং তোমরা নিজেদের উপরই দোষারোপ কর; (আজ) আমি (যেমন) তোমাদের উদ্ধারে (কোনো রকম) সাহায্য করতে পারবো না, (তেমনি) তোমরাও আমার উদ্ধারে কোনো সাহায্য করতে পারবে না; তোমরা যে (আগে) আমার আল্লাহর শরীক বানিয়েছো, আমি তাও আজ অস্বীকার করছি (এমন সময় আল্লাহর ঘোষণা আসবে); অবশ্যই যালেমদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ২২)



(হে নবী,) আমার যে বান্দা ঈমান এনেছে তুমি তাদের বলো, তারা যেন নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদের যে রেযেক দিয়েছি তা থেকে যেন তারা (আমারই পথে) ব্যয় করে, গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে, (কেয়ামতের) সে দিনটি আসার আগে, যেদিন (মুক্তির জন্যে) কোনো রকম (সম্পদের) বেচাকেনা চলবে না- না (এ জন্যে কারো) কোনো রকমের বন্ধুত্ব কাজে লাগবে।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ৩১)



তোমরা তাঁর কাছ থেকে (প্রয়োজনের) যতো কিছুই চেয়েছো তার সবই তিনি (তোমাদের সামনে) এনে হাযির করেছেন এবং তোমরা যদি (সত্য সত্যই) তাঁর সব নেয়ামত গণনা করতে চাও, তাহলে কখনোই তা গণনা করে শেষ করতে পারবে না; মানুষ (আসলেই) অতি মাত্রায় সীমালংঘনকারী ও (নেয়ামতের প্রতি) অকৃতজ্ঞ বটে।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ৩৪)
 

শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

অনুসরণ করো এমন এক রাসূলের, যে তোমাদের কাছে (হেদায়েতের বিনিময়ে) কোনো প্রকার প্রতিদান চায় না, আসলে (যারাই তার অনুসরণ করবে) তারাই হবে হেদায়াতপ্রাপ্ত।

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ২১)






আমি কি তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো মাবুদ গ্রহণ করতে যাবো? (অথচ) দয়াময় আল্লাহ তায়ালা যদি (আমার) কোনো ক্ষতি করতে চান তাহলে ওদের কোনো সুপারিশই তা আমার কোনো কাজে আসবে না, না তারা কেউ আমাকে (ক্ষতি থেকে) উদ্ধার করতে পারবে!

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ২৩)




পবিত্র ও মহান সে সত্তা, যিনি সবকিছুকে জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছেন, (চাই তা) যমীনের উৎপন্ন উদ্ভিদ হোক, কিংবা (হোক) স্বয়ং তাদের নিজেদের থেকে, অথবা এমন সব সৃষ্টি থেকে হোক, যাদের (সম্পর্কে) মানুষ (এখনো) আদৌ (কিছু) জানেই না।

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ৩৬)
 

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

যদি পাহাড়সমূহকে কোরআন (-এর অলৌকিক ক্ষমতা) দিয়ে গতিশীল করে দেয়া হতো, কিংবা যমীন বিদীর্ণ করে দেয়া হতো, অথবা তার মাধ্যমে যদি মরা মানুষকে কথা বলানো যেতো (তবুও এ না-ফরমান মানুষগুলো ঈমান আনতো না), কিন্তু আসমান যমীনের সমস্ত ক্ষমতা একমাত্র তাঁরই (হাতে); অতপর ঈমানদাররা কি (একথা জেনে) নিরাশ হয়ে পড়লো যে, আল্লাহ তায়ালা চাইলে সমগ্র মানব সন্তানকেই হেদায়াত দিতে পারতেন; এভাবে যারা কুফরের পথ অবলম্বন করেছে তাদের কোনো না কোনো বিপর্যয় ঘটতেই থাকবে, কিংবা তাদের (নিজেদের উপর না হলেও) আশেপাশে তা আপতিত হতে থাকবে, যে পর্যন্ত না (তাদের জন্য) আল্লাহ তায়ালার চূড়ান্ত (আযাবের) ওয়াদা সমাগত হয়; অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা কখনোই  প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ৩১)


যিনি প্রত্যেকটি মানুষের উপর তাঁর দৃষ্টি প্রতিষ্ঠিত রাখেন যে, সে মানুষটি কি পরিমাণ অর্জন করেছে (তিনি কি করে অন্যদের মতো হবেন)? ওরা আল্লাহর সাথে শরীক করে রেখেছে; (হে নবী, এদের) তুমি বলো, ওদের নামতো তোমরা বলো, অথবা তোমরা কি আল্লাহ তায়ালাকে এমন (শরীকদের) সম্পর্কে খবর দিতে চাচ্ছো, এ যমীনে যাকে তিনি জানেনই না এটা কি তাদের মুখের কথা মাত্র? আসল কথা হচ্ছে,) যারা কুফরী করেছে তাদের চোখে তাদের এই প্রতারণাকে শোভন করে দেয়া হয়েছে, আল্লাহ তায়ালার পথ (পাওয়া) থেকে তাদের অবরোধ করে রাখা হয়েছে; আল্লাহ তায়ালা যাকে গোমরা করেন তার জন্যে পথের দিশা দেখানোর (আসলেই) কেউ নেই। এদের জন্যে দুনিয়ার জীবনে অনেক শাস্তি আছে, তবে আখেরাতে যে আযাব রয়েছে তা তো নিঃসন্দেহে বেশী কঠোর, (মূলত) আল্লাহ (-এর ক্রোধ) থেকে তাদের বাঁচাবার মতো কেউ নেই।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ৩৩-৩৪)

আবুশ শায়খ

হযরত আবূ হুরায়রার (রাঃ) বর্ণনায় রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ হে মুসলমানগণ! তোমরা চিন্তাভাবনার অভ্যাস গড়ে তোল এবং আল্লাহ তায়ালার নেয়ামত সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা কর। সাবধান, আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করো না।

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে তারা সবাই ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক , আল্লাহ তায়ালাকে সাজদা করে চলেছে, (এমনকি) সকাল সন্ধ্যায় তাদের ছায়াগুলোও (তাদের মালিককে সাজদা করছে)।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ১৫)


সে ব্যক্তি কি জানে যে, তোমার মালিকের পক্ষ থেকে যা কিছু তোমার উপর নাযিল করা হয়েছে তা একান্তই সত্য, সে কি করে এমন ব্যক্তির মতো হবে যে (এসব কিছু দেখেও) অন্ধ (হয়ে থাকে); একমাত্র বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরাই শুধু উপদেশ গ্রহণ করতে পারে, (এরা সেসব লোক) যারা আল্লাহর সাথে (আনুগত্যের) চুক্তি মেনে চলে এবং কখনো পরিশ্রুতি ভংগ করে না, এবং আল্লাহ তায়ালা যেসব (মানবীয়) সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখতে আদেশ করেছেন যারা তা রেখে চলে, যারা নিজেদের মালিককে ভয় করে, আরো যারা ভয় করে (কেয়ামতের) কঠোর হিসাবকে;

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ১৯-২১)


যারা ঈমান আনে এবং নেক কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে যাবতীয় সুখবর ও শুভ পরিণাম।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ২৯)

বেহেশতী গওহর

পুরুষ ও নারীর নামায পড়ার নিয়মে যেসব পার্থক্য রয়েছে, সেগুলো নিম্নে উদ্ধৃত করা হলঃ

(১) তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় পুরুষের উচিত চাদর ইত্যাদি থেকে হাত বের করে কান পর্জন্ত তোলা, যদি শীত ইত্যাদির কারণে হাত ভেতরে রাখার প্রয়োজন না হয়। কিন্তু নারীরা সর্বাবস্থায় হাত বের না করেই কাঁধ পর্জন্ত উঠাবে।

(২) তাকবীরে তাহরীমার পরে পুরুষরা নাভীর নীচে এবং নারীরা বুকের উপর হাত বাঁধবে।

(৩) পুরুষেরা কনিষ্ঠ অঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা বৃত্ত তৈরী করে বাম কব্জি ধারণ করবে এবং ডান হাতের তিন অঙ্গুলি বাম কব্জির উপর বিছিয়ে রাখবে। কিন্তু নারীরা ডান হাতের তালু বাম হাতের তালুর পিঠে রেখে দেবে। বৃত্ত তৈরী করবে না এবং কব্জি ধারণ করবে না।

(৪) পুরুষদের উচিত রুকুতে এমনভাবে ঝুঁকে পড়া যে, মাথা নিতম্ব ও পিঠ সমতল হয়ে যায়; কিন্তু মহিলাদের এত বেশি ঝুঁকে পড়া উচিত নয় । তারা কেবল এতটুকু ঝুঁকবে যাতে তাদের হাত হাঁটু পর্জন্ত পৌছে যায়।

(৫) পুরুষরা রুকুতে অঙ্গুলিসমূহ ফাঁক করে হাঁটুর উপর রাখবে এবং মহিলারা ফাঁক না করে বরং পরস্পর মিলিয়ে রাখবে।

(৬) রুকুর অবস্থায় পুরুষেরা কনুই পার্শ্ব থেকে আলাদা রাখবে এবং মহিলারা মিলিয়ে রাখবে।

(৭) পুরুষরা সেজদার সময় পেটকে ঊড়ু থেকে এবং বাহুকে বগল থেকে আলাদা রাখবে এবং মহিলারা এগুলো মিলিয়ে রাখবে।

(৮) পুরুষরা সেজদায় কনুইকে মাটি থেকে উপরে উঠিয়ে রাখবে এবং মহিলারা মাটিতে বিছিয়ে রাখবে।

(৯) পুরুষরা সেজদায় উভয় পা আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে খাড়া রাখবে এবং মহিলারা তা করবে না।

(১০) পুরুষরা বসার অবস্থায় বাম পায়ের উপর বসবে এবং ডান পা আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে খাড়া রাখবে। কিন্তু মহিলারা বাম নিতম্বের উপর ভর দিয়ে বসবে এবং উভয় পা ডান দিকে বের করে দেবে, যাতে ডান ঊরু বাম ঊরুর উপরে এসে যায় এবং ডান পায়ের গোছা বাম পায়ের গোছার উপরে থাকে।

(১১) মহিলাদের কোন সময় উচ্চসরে কেরাআত পড়ার অধিকার নেই। তারা সর্বদা নিরবে কেরাআত পাঠ করবে।

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

নিঃসন্দেহে আমি একে আরবী কোরআন (হিসেবে) নাযিল করেছি, যেন তোমরা (তা) অনুধাবন করতে পারো।

- সূরা ইউসুফ (আয়াত ২)


(হে নবী, এদের) তুমি বলে দাও, এহচ্ছে আমার পথ, আমি মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করি; আমি ও আমার অনুসারীরা পূর্ণাংগ সচেতনতার সাথেই (এ পথে) আহবান জানাই; আল্লাহ তায়ালা মহান, পবিত্র এবং আমি কখনো মোশরেকদের অন্তর্ভুক্ত নই।

- সূরা ইউসুফ (আয়াত ১০৮)

হাদিস - বুখারি

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে নবী করীম (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তায়ালা সে পুরুষদের প্রতি অভিসম্পাত করুন, যারা নারীদের চালচলন অনুসরণ করে এবং সেই নারীদের প্রতি অভিসম্পাত করুন, যারা পুরুষদের চালচলন অনুসরণ করে।

সোমবার, ২৭ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

এটা কখনো তোমার মালিকের কাজ নয় যে, কোনো জনপদকে অন্যায়ভাবে ধবংস করে দেবেন, (বিশেষ করে) যখন সে জনপদের অধিবাসীরা সংশোধনে নিয়োজিত থাকে।

- সূরা হুদ (আয়াত ১১৭)



আসমানসমূহ ও যমীনের যাবতীয় গায়ব বিষয় আল্লাহ তায়ালার জন্যেই (নিবেদিত) এবং এর সব কয়টি বিষয় তাঁর দিকেই ধাবিত হবে, অতএব (হে নবী), তুমি তাঁরই এবাদত করো এবং (বিপদে-আপদে) একান্তভাবে তাঁর ওপরই ভরসা করো; (হে মানুষ,) তোমরা যা কিছু করছো সে সম্পর্কে তোমার মালিক কিন্তু মোটেই বে-খবর নন।

- সূরা হুদ (আয়াত ১২৩)
 

রবিবার, ২৬ মে, ২০১৩

হাদিস শরীফ

হযরত আবূ হুরায়রার (রাঃ) বর্ণনা ঃ রসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেনঃ যালেম সম্পর্কে মযলুমের দোয়াকে মেঘমালার উর্ধ্বে তুলে নেয়া হয় এবং আকাশসমূহের দরজা এ দোয়ার জন্যে খুলে দেয়া হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ কিছু বিলম্বে হলেও আমি অবশ্যই তাকে সাহায্য করব।

আহমদ,তিরমিযী  

কুরআনের আয়াত

যদি আল্লাহ তায়ালা তোমাদের কোনো দুঃখ-কষ্ট দেন তাহলে তিনি ছাড়া অন্য কেউই নেই তা দূরীভুত করার, আবার তিনি যদি (মেহেরবানী করে) তোমার কোনো কল্যাণ চান তাহলে তাঁর সে অনুগ্রহ রদ করারও কেউ নেই; তিনি তাঁর বান্দাদের যাকে চান তাকেই কল্যাণ পৌঁছান; আল্লাহ তায়ালা বড়োই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ১০৭)


অথবা এরা কি (একথা) বলে, (মোহাম্মদ নামের) সে (ব্যক্তি কোরআন) নিজে নিজে রচনা করে নিয়েছে! (হে নবী, তুমি (তাদের) বলো, তোমরা (যদি তাই মনে করো) তাহলে নিয়ে এসো এর অনুরূপ স্বরচিত দশটি (তোমাদের স্বরচিত) সূরা এবং আল্লাহ তায়ালা ছাড়া অন্য যাদের তোমরা সাহায্যের জন্য ডাকতে পারো তাদের ডেকে নাও, যদি তোমরা তোমাদের দাবীতে সত্যবাদী হও।

- সূরা হুদ (আয়াত ১৩)

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

(হে নবী,) ওদের কাছে তুমি নূহের কাহিনী শোনাও। যখন সে তার জাতিকে বলেছিলো, হে আমার জাতি, যদি তোমাদের উপর আমার অবস্থিতি ও আল্লাহর আয়াত সমূহ দ্বারা আমার উপদেশ (প্রদান) খুব দুঃসহ মনে হয়, তবে (শোনে রাখো), আমি (সম্পূর্ণরূপে) আল্লাহর ওপর ভরসা করি, অতপর তোমরা যাদের আমার সাথে শরীক বানাচ্ছো, তাদের (সবাইকে) একত্রিত করে (আমার বিরূদ্ধে তোমাদের) পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে নাও (দেখে নাও), যেন সে পরিকল্পনা (-এর কোনো বিষয় তোমাদের দৃষ্টির) আড়ালে না থাকে, অতপর আমার সাথে (তোমাদের যা করার) তা করে ফেলো এবং আমাকে কোনো অবকাশও তোমরা দিয়ো না।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৭১)



মূসা বললো, তোমরা কি সত্য সম্পর্কে এসব (বাজে) কথা বলছো যখন তা তোমাদের কাছে (প্রমাণসহ) এসে গেছে! (তোমরা কি মনে করো) এটা আসলেই যাদু? অথচ যাদুকররা কখনোই সফলকাম হয় না।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৭৭)




(হে নবী,) আমি তোমার ওপর যে কেতাব নাযিল করেছি, তাতে (বর্ণিত কোনো ঘটনার ব্যাপারে) যদি তোমার (মনে) কোনো সন্দেহ থাকে, তাহলে সেসব লোকের কাছে (এসব ঘটনা) জিজ্ঞেস করো, যারা তোমার আগে (তাদের উপর নাযিল করা) কেতাব পড়ে আসছে, অবশ্যই তোমার মালিকের কাছ থেকে সত্য এসেছে, তাই তুমি কখনো সন্দেহবাদীদের (দলে) শামিল হয়ো না। আর তুমি তাদের দলেও শামিল হয়ো না যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, (এরূপ করলে) তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৯৪-৯৫)
 

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

(হে মানুষ, তোমরা পার্থিব জীবনের ধোকায় পড়ে আছো, অথচ) আল্লাহ তায়ালা তোমাদের (চিরস্থায়ী এক) শান্তির নিবাসের দিকে ডাকছেন; তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সহজ-সরল পথে পরিচালিত করেন।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ২৫)


এ কোরআন এমন (কোন গ্রন্থ) নয় যে, আল্লাহর (ওহী) ব্যতিরেকে (কারো ইচ্ছামাফিক একে) গড়ে দেয়া যাবে, বরং এ (গ্রন্থ) সেসব গ্রন্থের সত্যবাদিতার সাক্ষ্য দেয় যা আগে নাযিল হয়েছিলো, এতে কোনোরকম সন্দেহ নেই যে, এটা (হচ্ছে) সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার সত্য বিধানসমূহের বিশদ ব্যাখ্যা।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৩৭)


(হে মানুষ,) তিনিই মহান আল্লাহ তায়ালা, যিনি তোমাদের জন্যে রাত বানিয়েছেন, যাতে করে তোমরা তাতে বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারো, আর দিনকে বানিয়েছেন আলোক (-উজ্জল), অবশ্যই এতে (আল্লাহ তায়ালার মহত্বের) অনেক নিদর্শন রয়েছে সে সম্প্রদায়ের জন্যে, যারা (নিষ্ঠার সাথে) শোনে।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৬৭) 

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩

"শুক্রবার" কুরআনের আয়াত

(একে তিনি) প্রতিষ্ঠিত করেছেন (সহজ সরল একটি পথের উপর), যাতে করে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সে (নবী তাদের জাহান্নামের আযাবের ব্যাপারে) সতর্ক করে দিতে পারে এবং যারা ঈমানদার, যারা নেক কাজ করে, তাদের সে (এ মর্মে) সুসংবাদ দিতে পারে (যে) তাদের জন্যে আল্লাহর দরবারে উত্তম পুরস্কার রয়েছে, যেখানে তারা চিরকাল থাকবে।

- সূরা আল কাহাফ (আয়াত ২-৩)

কুরআনের আয়াত

(হে মানুষ,) তোমাদের মালিক হচ্ছেন আল্লাহ তায়ালা, যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে ছয় দিনে পয়দা করেছেন, অতপর তিনি 'আরশে' সমাসীন হন, তিনি (তার) কাজ (স্বহস্তে) নিয়ন্ত্রন করেন; কেউই তাঁর অনুমতি ছাড়া (কারো জন্যে) সুপারিশকারী হতে পারে না; এই হচ্ছেন তোমাদের মালিক আল্লাহ তায়ালা, অতএব তোমরা তাঁরই এবাদত করো; তোমরা কি (সত্যি কথা) অনুধাবন করবে না?

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৩)
 মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি সূর্যকে (প্রখর) তেজোদ্দীপ্ত বানিয়েছেন এবং চাঁদকে (বানিয়েছেন) জ্যোতির্ময়, অতপর (আকাশে) তার জন্য কিছু মনযিল তিনি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, যাতে করে (এ নিয়ম দ্বারা) তোমরা বছরের গণনা এবং দিন-তারিখের হিসাবটা জানতে পারো; আসলে আল্লাহ তায়ালা যে এসব কিছু পয়দা করে রেখেছেন (তার) কোনোটাই তিনি অনর্থক করেননি; যারা (সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে) জানতে চায় তাদের জন্যে আল্লাহ তায়ালা তাঁর নিদর্শন খুলে খুলে বর্ণনা করেন।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৫)
 
তারা (আরো) বলে, তার মালিকের কাছ থেকে তার উপর কোনো নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন? তুমি (তাদের) বলো, গায়েব সংক্রান্ত যাবতীয় জ্ঞান তো একমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্যে, অতএব (আল্লাহ তায়ালার সে গায়বী ফয়সালার জন্যে) তোমরা অপেক্ষা করো, (আর) আমিও তোমাদের সাথে (সেদিনের) প্রতীক্ষা করছি।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ২০)

রবিবার, ৫ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (২২)

আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালা, তাঁর রসূল ও ঈমানদারদের নিজেদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে (তারা যেন জেনে রাখে) কেবল মাত্র আল্লাহ তায়ালার দলটিই বিজয়ী হবে।

- সূরা আল-মায়েদা (আয়াত ৫৬)

কুরআনের আয়াত (২১)

হে রসূল, যারা দ্রুতগতিতে কুফরীর পথে ধাবিত হচ্ছে তারা যেন তোমাকে দুঃখ না দেয়, এরা সে দলের (লোক) যারা মুখে বলে, আমরা ঈমান এনেছি, কিন্তু (সত্যিকার অর্থে তারা কখনো ঈমান আনেনি, আর (তাদের ব্যাপারও নয়) যারা ইহুদী- তারা মিথ্যা কথা শোনার জন্য কান খাড়া করে রাখে এবং (তাদের বন্ধু সম্প্রদায়ের) যেসব লোক কখনো তোমার কাছে আসেনি, এরা সেই অপর সম্প্রদায়ের জন্য কান খাড়া করে রাখে; আল্লাহর কেতাবের কথা গুলো আপন জায়গায় (বিন্যস্ত) থাকার পরেও এরা তা বিকৃতি করে বেড়ায় এবং (অন্যদের কাছে) এরা বলে, (হাঁ) যদি এ (ধরনের কোনো) বিধান তোমাদের দেয়া হয় তাহলে তোমরা তা গ্রহণ করো, আর সে ধরনের কিছু না দেয়া হলে তোমরা (তা থেকে) সতর্ক থেকো; (আসলে) আল্লাহ তায়ালা যার পথচ্যুতি চান, তাকে আল্লাহর (পাকড়াও) থেকে বাঁচানোর জন্য তুমি তো কিছুই করতে পারো না; এরাই হচ্ছে সেসব (হতভাগ্য) লোক, আল্লাহ তায়ালা কখনো যাদের অন্তরগুলোকে পাক-সাফ করার এরাদা পোষণ করেন না, তাদের জন্য পৃথিবীতে (যেমনি) রয়েছে অপমান (ও লাঞ্ছনা), পরকালেও (তেমনি) তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ আযাব।

- সূরা আল-মায়েদা (আয়াত ৪১)

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

সহীহ বুখারি

মুসলিম ইবন ইব্রাহীম (র)...... ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত নবী (সা) বলেন, আমাকে পূবালী হাওয়া দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। আর আদ জাতিকে পশ্চিমা বায়ু দিয়ে ধবংস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (২০)

যে ব্যক্তি কোনো ভাল কাজ করবে নর কিংবা নারী, সে যদি ঈমানদার অবস্থায়ই তা (সম্পাদন) করে, তাহলে (সে এবং তার মতো) সব লোক অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে, (পুরস্কার দেয়ার সময়) তাদের উপর বিন্দুমাত্রও অবিচার করা হবে না।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ১২৪)

বুধবার, ১ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৯)

যে কল্যাণই তুমি লাভ কর (না কেন, মনে রেখো) তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, আর যেটুকু অকল্যাণ তোমার উপর আসে তা আসে তোমার নিজের কাছ থেকে; আমি তোমাকে মানুষদের জন্য রসূল বানিয়ে পাঠিইয়েছি; আর সাক্ষী হিসেবে তো আল্লাহ তায়ালাই যথেষট।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ৭৯)

মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৮)

এবং তোমরা আল্লাহরই ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে কোন বিষয়ে অংশী স্থাপন করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর এবং আত্বীয়-স্বজনগণ, ইয়াতীমগণ, দরিদ্রগণ, সম্পর্কীয় প্রতিবেশী ও সম্পর্ক বিহীন প্রতিবেশী, পার্শবর্তী সহচর ও পথিক এবং তোমাদের দক্ষিণ হাত যাদের অধিকারী তাদের সাথেও সদ্ব্যবহার কর; নিশ্চয়ই আল্লাহ অহংকারী আত্মাভিমানীকে ভালবাসেন না।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ৩৬)

সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৭)

হে মু'মিনগণ! এটা তোমাদের জন্য বৈধ নয় যে , তোমরা বলপূর্বক নারীদের উত্তরাধিকারী হও এবং প্রকাশ্য অশ্লীলতা ব্যতীত তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ, তার কিয়দাংশ গ্রহণের জন্য তাদেরকে প্রতিরোধ করোনা এবং তাদের সাথে সদ্ভাবে অবস্থান কর; কিন্তু যদি পাপ অনুভব কর তবে তোমরা যে বিষয়ে দোষিত মনে কর আল্লাহ সেটাকে প্রচুর কল্যাণকর করতে পারেন।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ১৯)

কুরআনের আয়াত (১৬)

যদি আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করেন, তবে কেউই তোমাদের উপর জয়যুক্ত হবে না এবং যদি তিনি তোমাদেরকে পরিত্যাগ করেন, তবে তাঁর পরে কে আছে যে, তোমাদেরকে সাহায্য করে? এবং বিশ্বাসীগণ আল্লাহর উপরেই নির্ভর করে থাকেন।

- সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১৬০)

রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৫)

আর যখন তোমরা উপরের দিকে আহোরণ করে যাচ্ছিলে এবং কারো দিকে ফিরে দেখছিলে না (উহুদ যুদ্ধে কাফিরদের ভয়ে পাহাড়ে আরোহণপূর্বক পলায়ন করেছিলে) ও রাসূল তোমাদেরকে পশচাদ হতে আহবান করেছিলেন; অননতর ও তিনি তোমাদেরকে দুঃখের উপর দুঃখ প্রদান করলেন; কিন্তু যা অতিক্রানত হয়েছে এবং তোমাদের উপর যা উপনীত হয়নি তোমরা তজ্জন্য দুঃখ করোনা এবং তোমরা যা করছো আল্লাহ সে বিষয়ে অভিজ্ঞ। অননতর তিনি দুঃখের পরে তোমাদের উপর শান্তি অবতীর্ন করলেন তা ছিল তনদ্রা যা তোমাদের এক দলকে আচ্ছন্ন করেছিল, আর একদল নিজের জীবনের জন্য চিন্তা করছিল; তারা আল্লাহ সম্বনধে সত্যের বিনিময়ে অজ্ঞতার অনুরূপ ধারনা পোষণ করছিল, তারা বলছিল এ বিষয়ে কি আমাদের কোন অধিকার নেই? তুমি বলঃ সকল বিষয়ে আল্লাহর অধিকার; তারা নিজেদের অন্তরে যা গোপন রাখে, তা তোমার নিকট প্রকাশ করে না; তারা বলেঃ যদি এ বিষয়ে আমাদের কোন অধিকার থাকতো, তবে এখানে আমরা নিহত হতাম না; তুমি বলঃ যদি তোমরা তোমাদের গৃহের মধ্যেও থাকতে, তবুও যাদের প্রতি হত্যা বিধিবদ্ধ হয়েছে, তারা নিশ্চয়ই স্বীয় বধ্যস্থানে (গৃহে হলেও) এসে উপস্থিত হতো এবং এটা এজন্য যে তোমাদের অন্তরের মধ্যে যা আছে, আল্লাহ তা পরীক্ষা করেন এবং এরূপে তিনি তোমাদের হ্রদয়ে যা আছে তা নির্মল করে থাকেন; এবং আল্লাহ অন্তর্নিহিত ভাব পরিজ্ঞাত আছেন।

সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১৫৩-১৫৪)

সহীহ বুখারী ৪১৪

সুলায়মান ইবন হারব (র) ...... 'আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেনঃ নবী (সা) নিজের সমস্ত কাজ যথাসম্ভব ডানদিক থেকে আরম্ভ করা পছন্দ করতেন। পবিত্রটা হাসিলের সময়, মাথা আচরানোর সময় এবং জুতা পরিধানের সময়ও।

- সহীহ বুখারি

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৪)

এবং মুহাম্মদ রাসূল ব্যতীত কিছুই নয়, নিশ্চয়ই তার পূর্বে রাসূলগণ বিগত হয়েছে, অননতর যদি তাঁর মৃত্যু হয় অথবা তিনি নিহত হন, তবে কি তোমরা পশ্চাদপদে ফিরে যাবে? এবং যে কেউ পশ্চাদপদে ফিরে যায়, তাতে সে আল্লাহর কোন অনিষট করবে না এবং আল্লাহ কৃতজ্ঞগণকে অচিরেই পুরসকার প্রদান করবেন।

সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১৪৪)

সহীহ বুখারী

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (র) .... আনাস (রা) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেনঃ আমি নবি (সাঃ) কে মসজিদে পেলাম তাঁর সাথে ছিলেন কয়েক জন সাহাবি । আমি দাড়িয়ে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন ঃ তোমাকে কি আবু তালহা পাঠিয়েছেন? আমি বললাম জি হ্যা। তিনি বললেন : খাবার জন্য? আমি বললাম: জি হ্যা। তখন তাঁর আশেপাশে যারা ছিলেন, তিনি তাদেরকে বললেন : উঠ। তারপর তিনি চলতে শুরু করলেন। (রাবী বলেন) আর আমি তাদের সামনে সামনে চললাম। 

- সহীহ বুখারি

শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৩)

আর তোমরা একযোগে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ়রূপে ধারন কর ও বিভক্ত হয়ে যেয়ো না এবং তোমাদের প্রতি আল্লাহর যে নেয়ামত আছে তা স্মরণ কর, যখন তোমরা পরস্পর শ্ত্রু ছিলে তখন তিনিই তোমাদের অন্তঃকরণে প্রীতি স্থাপন করেছিলেন, তৎপরে তোমরা তার অনূগ্রহে ভ্রাতৃৎত্বে আবদ্ধ হলে এবং তোমরা অগ্নিকুন্ডের নিকটে ছিলে অনন্তর তিনিই তোমাদেরকে ওটা হতে উদ্ধার করেছেন; এরূপে আল্লাহ তোমাদের জন্যে স্বীয় নিদর্শনাবলি ব্যক্ত করেন যেন তোমরা সুপথ প্রাপ্ত হও।

- সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১০৩)

বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১২)

মারইয়াম বললেন, হে আমার প্রতিপালক! কেমন করে আমার সন্তান হবে, অথচ কোন মানব সন্তান আমাকে স্পর্শ করেনি। আল্লাহ বললেনঃ এভাবেই আল্লাহ সৃষটি করেন যা ইচ্ছা করেন। যখন তিনি কোন কাজ করতে মনস্থ করেন তখন তাকে শুধু বলেন "হও", অমনি তা হয়ে যায়।

- সূরা আল-ইমরান (আয়াত ৪৭)

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১১)

শয়তান তোমাদেরকে অভাবের ভীতি প্রদর্শন করে এবং তোমাদেরকে অশ্লীল বিষয়ের আদেশ করে আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিকট হতে ক্ষমা ও দয়ার অঙ্গিকার করেন আর আল্লাহ হচ্ছেন অসীম করুনাময়, সর্বজ্ঞ।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২৬৮)

কুরআনের আয়াত (১০)

তাদেরকে সুপথ প্রদর্শনের দায়িত্ব তোমার উপর নেই; বরং আল্লাহ্ যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন এবং তোমরা ধন সম্পদ হতে যা ব্যয় কর বস্তুত তা তোমাদের নিজেদের জন্য; আর একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্ট লাভের চেষটায় ব্যতীত (অন্য কোন উদ্দেশ্যে) অর্থ ব্যয় করো না এবং তোমারা উত্তম সম্পদ হতে যা ব্যয় করবে তার পুরস্কার তোমরা পেয়ে যাবে। আর তোমাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২৭২)

সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (৯)

তোমরা নিজেদের শপথের জন্য আল্লাহর নামকে লক্ষ্যবস্তু বানিওনা, সৎকাজ, আত্মসংযম এবং মানুষের মাঝে মীমাংসা করে দেয়া থেকে বেচে থাকার উদ্দেশ্যে; বস্তুতঃ আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা। আল্লাহ তা'আলা তোমাদের নিরর্থক শপথসমূহের (অর্থহীন শপথের) জন্যে তোমাদেরকে ধরবেন না; কিন্তু তিনি তোমাদেরকে ঐসব শপথ সম্বন্ধে ধরবেন যে গুলো তোমাদের মনের সংকল্প আনুসারে সাধিত হয়েছে এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল, ধৈর্জ্জশীল।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২২৪-২২৫)

রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৩

সহীহ বুখারী

ইয়াকুব ইবন ইব্রাহীম ও আদম (রা)... আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার পিতা, তার সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই।

- সহীহ বুখারী

কুরআনের আয়াত (৮)

যারা অবিশ্বাস করেছে, তাদের পার্থিব জীবন সুশোভিত করা হয়েছে এবং তারা বিশ্বাস স্থাপনকারিদেরকে উপহাস করে থাকে এবং যারা আল্লাহভীরু তাদেরকে উত্তথান দিবসে সমুন্নত রাখা হবে এবং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আপিরিমিত জীবিকা দান করে থাকেন।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২১২)

কুরআনের আয়াত (৭)

হে মুমিনগণ! তোমরা পুর্ণরুপে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাংক অনুসরন করো না, নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শত্রু।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২০৮)

কুরআনের আয়াত (৬)

এবং যখন আমার বান্দাগণ আমার সম্বন্ধে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন তাদের বলে দাওঃ নিশ্চয় আমি সন্নিকটবর্তী; কোন আহবানকারী যখনই আমাকে আহবান করে তখনই আমি তার আহবানে সাড়া দিয়ে থাকি; সুতরাং তারাও যেন আমার আহবানে সাড়া দেয় এবং আমাকে বিশ্বাস করে, তা হলেই তারা সঠিক পথে চলতে পারবে।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ১৮৬)

শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (৫)

অতএব তোমরা আমাকেই স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করবো এবং তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও ও আবিশ্বাসী হয়ো না।**

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১৫২)


 **আবূ হুরাইরা (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার সম্পর্কে আমার বান্দা যেরূপ ধারণা পোষণ করে আমি অনুরুপ এবং সে যখন আমাকে স্মরণ করে আমি (ইলমের মাধ্যমে) তার সাথে থাকি। যখন সে আমাকে মনে মনে স্মরণ করে আমিও তাকে মনে মনে স্মরণ করি। আর যদি সে জামাতবদ্ধ ভাবে আমাকে স্মরণ করে তাহলে আমি এর চেয়েও উত্তম জামাত (ফেরেশতাদের মাঝে) স্মরণ করে থাকি যা তার জামাত থেকে উত্তম। আর সে যদি আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে তাহলে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই। আর সে যদি আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে তাহলে আমি তার দিকে এক গজ পরিমাণ অগ্রসর হই। আর বান্দা যদি আমার দিকে হেটে হেটে অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে দৌড়ে দৌড়ে অগ্রসর হই। (বুখারী, হাদিস নং ৭৪০৫)

কুরআনের আয়াত (৪)

নিশ্চয় আল্লাহ্ যা গ্রন্থে অবতীর্ণ করেছেন তা যারা গোপন করে ও তৎপরিবর্তে নগন্য মূল্য গ্রহন করে, নিশ্চয় তারা স্ব-স্ব উদরে অগ্নি ছাড়া অন্য কিছু ভক্ষণ করে না এবং কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১৭৪)

সহীহ বুখারীঃ ঈমান অধ্যায় (৩৮)

আবদুস সালাম ইবনে মুতাহ্হার (র).... .... আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ নিশ্চয়ই দীন সহজ সরল ; দীন নিয়ে যে বাড়াবাড়ি করে দীন তার উপর বিজয়ী হয়। কাজেই তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন কর এবং (মধ্যপন্থার) নিকটবর্তী থাক, আশান্নিত থাক এবং সকাল-সন্ধ্যায় ও রাতের কিছু অংশে (ইবাদতের মাধ্যমে) সাহায্য চাও।

- সহীহ বুখারী

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (৩)

এবং যে কেউ আল্লাহর মসজিদ সমূহের মধ্যে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে নিষেধ করেছে এবং তা ধ্বংস করতে প্রয়াস চালিয়েছে- তার অপেক্ষা কে অধিক অত্যাচারী? এ ধরনের ব্যাক্তিদের শঙ্কিত অবস্থায়ই তন্মধ্যে প্রবেশ করা উচিত; তাদের জন্য ইহলোকের দুর্গতি এবং পরলোকে কঠোর শাস্তি রয়েছে।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১১৪)

কুরআনের আয়াত (২)

তুমি কি জান না যে, আকাশ ও পৃথিবীতে আধিপত্য আল্লাহরই, এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধুও নেই এবং কোন সাহায্যকারীও নেই।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১০৭)

সহীহ বুখারীঃ ঈমান অধ্যায় (১৭)

আবুল ইয়ামান (র)...'আয়িনুল্লাহ্ ইবন আব্দুল্লাহ (র) বলেন, বদর যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী ও লায়লাতুল 'আকাবার একজন নকীব 'উবাদা এবনুস সামিত (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর পার্শ্বে একজন সাহাবীর উপস্থিতিতে তিনি এরশাদ করেনঃ তোমরা আমার কাছে এই মর্মে বায়'আত গ্রহণ কর যে, আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবেনা, চুরি করবেনা, যিনা করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবেনা, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিবে না এবং নেক কাজে নাফরমা্নী করবে না। তোমাদের মধ্যে যে তা পূরণ করবে, তার বিনিময় আল্লাহর কাছে। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পড়লে এবং দুনিয়াতে তার শাস্তি পেয়ে গেলে, তবে তা হবে তার জন্য কাফফারা। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পরলে এবং আল্লাহ তা অপ্রকাশিত রাখলে, তবে তা আল্লাহর ইচ্ছাধীন। তিনি যদি চান, তাকে মাফ করে দেবেন আর যদি চান, তাকে শাস্তি দেবেন। আমরা এর উপর বায়'আত গ্রহণ করলাম।

- সহীহ বুখারী

বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১)

অনন্তর তোমরাই সেই লোক যারা (পরস্পর) তোমাদের নফস্ সমূহের হত্যা করছো এবং তোমরা তোমাদের মধ্য হতে এক দলকে তাদের গৃহ হতে বহিস্কৃত করে দিচছ, তাদের প্রতি শ্ত্রুতাবশতঃ অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে সাহায্য করছো এবং তারা বন্দি হয়ে তোমাদের নিকট আসলে তোমরা তাদেরকে বিনিময় প্রদান কর; অথচ তাদেরকে বহিস্কৃত করা তোমাদের জন্য অবৈধ; তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর? অতএব তোমাদের মধ্যে যারা এরুপ করে তাদের পার্থিব জীবনে দুর্গতি ব্যতীত কিছুই নেই এবং কিয়ামত দিবসে তারা কঠোর শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে এবং তোমরা যা করছো আল্লাহ্ তদবিষয়ে অমনোযোগী নন।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ৮৫)