রবিবার, ২ জুন, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

যখন বিচার ফয়সালা হয়ে যাবে তখন শয়তান জাহান্নামীদের বলবে, আল্লাহ তায়ালা তোমদের সাথে (যে) ওয়াদা করেছেন তা (ছিলো) সত্য ওয়াদা, আমিও তোমাদের সাথে (একটি) ওয়াদা করেছিলাম, কিন্তু আমি তোমাদের সাথে ওয়াদার বরখেলাপ করেছি; (আসলে) তোমাদের ওপর আমার তো কোনো আধিপত্য ছিলো না, আমি তো শুধু এটুকুই করেছি, তোমাদের (আমার দিকে) ডেকেছি, অতপর আমার ডাকে তোমরা সাড়া দিয়েছো, তাই (আজ) আমার প্রতি তোমরা (কোন রকম) দোষারোপ করোনা, বরং তোমরা নিজেদের উপরই দোষারোপ কর; (আজ) আমি (যেমন) তোমাদের উদ্ধারে (কোনো রকম) সাহায্য করতে পারবো না, (তেমনি) তোমরাও আমার উদ্ধারে কোনো সাহায্য করতে পারবে না; তোমরা যে (আগে) আমার আল্লাহর শরীক বানিয়েছো, আমি তাও আজ অস্বীকার করছি (এমন সময় আল্লাহর ঘোষণা আসবে); অবশ্যই যালেমদের জন্যে রয়েছে কঠিন আযাব।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ২২)



(হে নবী,) আমার যে বান্দা ঈমান এনেছে তুমি তাদের বলো, তারা যেন নামায প্রতিষ্ঠা করে এবং আমি তাদের যে রেযেক দিয়েছি তা থেকে যেন তারা (আমারই পথে) ব্যয় করে, গোপনে কিংবা প্রকাশ্যে, (কেয়ামতের) সে দিনটি আসার আগে, যেদিন (মুক্তির জন্যে) কোনো রকম (সম্পদের) বেচাকেনা চলবে না- না (এ জন্যে কারো) কোনো রকমের বন্ধুত্ব কাজে লাগবে।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ৩১)



তোমরা তাঁর কাছ থেকে (প্রয়োজনের) যতো কিছুই চেয়েছো তার সবই তিনি (তোমাদের সামনে) এনে হাযির করেছেন এবং তোমরা যদি (সত্য সত্যই) তাঁর সব নেয়ামত গণনা করতে চাও, তাহলে কখনোই তা গণনা করে শেষ করতে পারবে না; মানুষ (আসলেই) অতি মাত্রায় সীমালংঘনকারী ও (নেয়ামতের প্রতি) অকৃতজ্ঞ বটে।

- সূরা ইবরাহীম (আয়াত ৩৪)
 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন