(হে
নবী,) আল্লাহর শপথ, তোমার আগেও আমি জাতিসমূহের কাছে নবী পাঠিয়েছিলাম, অতপর
শয়তান তাদের (খারাপ) কাজসমূহ তাদের জন্যে শোভনীয় করে দিয়েছিলো, সে (শয়তান)
আজো বন্ধু হিসেবেই (হাযির) আছে, তাদের (সবার) জন্যেই রয়েছে কঠোর আযাব। (হে
নবী,) আমি তোমরা ওপর (এ) কেতাব এ জন্যেই নাযিল করেছি যেন তুমি তাদের সামনে
সে বিষয়সমূহ সুস্পষ্ট করে পেশ করতে পারো, (যে বিষয়ের মধ্যে) তারা মতবিরোধ
করেছে, বস্তুত এ (কেতাব) হচ্ছে ঈমানদার লোকদের জন্যে হেদায়াত ও (আল্লাহ তায়ালার) অনুগ্রহস্বরূপ।
- সূরা আন নাহল (৬৩-৬৪)
- সূরা আন নাহল (৬৩-৬৪)
অবশ্যই
তোমাদের জন্যে গৃহপালিত জন্তু জানোয়ারের মাঝে (প্রচুর) শিক্ষার বিষয়
রয়েছে, তাদের উদরিস্থিত (দুর্গন্ধময়) গোবর ও (নাপাক) রক্তের মধ্য থেকে
নিসৃত (পানীয়) খাঁটি দুধ আমিই তোমাদের পান করাই, পানকারীদের জন্যে (এটি)
বিশুদ্ধ ও সুস্বাদু। খেজুর এবং আঙ্গুর ফলের মধ্যেও (শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে),
তা থেকে তোমরা নেশাকর (হারাম) জিনিষ যেমন বের করে আনছো, তেমনি (তা থেকে
হালাল এবং) উত্তম রেযেকও তোমরা লাভ করছো, নিসন্দেহে
এতে (আল্লাহর কুদরতের) অনেক নিদর্শন আছে তাদের জন্যে, যারা জ্ঞান সম্পন্ন
সম্প্রদায়ের লোক। তোমার মালিক মৌমাছিকে নির্দেশ দিয়েছেন, পাহাড়ের (গায়ে)
গাছে (-র ডালে) এবং (অন্য কিছুর ওপর) যা তোমরা বানাও তার ওপর নিজেদের থাকার
ঘর নির্মান করো, তারপর প্রত্যেক ফল থেকে (রস আহরণ করে তা) খেতে থাকো, অতপর
তোমার মালিকের (নির্ধারিত) পথ ধরে পূর্ণ আনুগত্যের সাথে (সেদিকে) এগিয়ে
চলো; (এভাবে) তার পেট থেকে রং বেরঙ্গের পানীয় (দ্রব্য) বের হয়, যার মধ্যে
মানুষদের নিরাময়ের ব্যবস্থা রয়েছে; (অবশ্য) এতেও নিদর্শন রয়েছে সে
সম্প্রদায়ের জন্যে, যারা (আল্লাহর এ সৃষ্টি বৈচিত্র নিয়ে) চিন্তা করে।
- সূরা আন নাহল (৬৬-৬৯)
- সূরা আন নাহল (৬৬-৬৯)
আল্লাহ
তায়ালা তোমাদের মায়ের পেট থেকে (এমন এক অবস্থায়) বের করে এনেছেন যে তোমরা
(তার) কিছুই জানতে না, অতপর তিনি তোমাদের কান, চোখ ও দিল দিয়েছেন, যাতে করে
তোমরা শোকর আদায় করতে পারো।
- সূরা আন নাহল (আয়াত ৭৮)
- সূরা আন নাহল (আয়াত ৭৮)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন