শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

অনুসরণ করো এমন এক রাসূলের, যে তোমাদের কাছে (হেদায়েতের বিনিময়ে) কোনো প্রকার প্রতিদান চায় না, আসলে (যারাই তার অনুসরণ করবে) তারাই হবে হেদায়াতপ্রাপ্ত।

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ২১)






আমি কি তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো মাবুদ গ্রহণ করতে যাবো? (অথচ) দয়াময় আল্লাহ তায়ালা যদি (আমার) কোনো ক্ষতি করতে চান তাহলে ওদের কোনো সুপারিশই তা আমার কোনো কাজে আসবে না, না তারা কেউ আমাকে (ক্ষতি থেকে) উদ্ধার করতে পারবে!

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ২৩)




পবিত্র ও মহান সে সত্তা, যিনি সবকিছুকে জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছেন, (চাই তা) যমীনের উৎপন্ন উদ্ভিদ হোক, কিংবা (হোক) স্বয়ং তাদের নিজেদের থেকে, অথবা এমন সব সৃষ্টি থেকে হোক, যাদের (সম্পর্কে) মানুষ (এখনো) আদৌ (কিছু) জানেই না।

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ৩৬)
 

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

যদি পাহাড়সমূহকে কোরআন (-এর অলৌকিক ক্ষমতা) দিয়ে গতিশীল করে দেয়া হতো, কিংবা যমীন বিদীর্ণ করে দেয়া হতো, অথবা তার মাধ্যমে যদি মরা মানুষকে কথা বলানো যেতো (তবুও এ না-ফরমান মানুষগুলো ঈমান আনতো না), কিন্তু আসমান যমীনের সমস্ত ক্ষমতা একমাত্র তাঁরই (হাতে); অতপর ঈমানদাররা কি (একথা জেনে) নিরাশ হয়ে পড়লো যে, আল্লাহ তায়ালা চাইলে সমগ্র মানব সন্তানকেই হেদায়াত দিতে পারতেন; এভাবে যারা কুফরের পথ অবলম্বন করেছে তাদের কোনো না কোনো বিপর্যয় ঘটতেই থাকবে, কিংবা তাদের (নিজেদের উপর না হলেও) আশেপাশে তা আপতিত হতে থাকবে, যে পর্যন্ত না (তাদের জন্য) আল্লাহ তায়ালার চূড়ান্ত (আযাবের) ওয়াদা সমাগত হয়; অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা কখনোই  প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ৩১)


যিনি প্রত্যেকটি মানুষের উপর তাঁর দৃষ্টি প্রতিষ্ঠিত রাখেন যে, সে মানুষটি কি পরিমাণ অর্জন করেছে (তিনি কি করে অন্যদের মতো হবেন)? ওরা আল্লাহর সাথে শরীক করে রেখেছে; (হে নবী, এদের) তুমি বলো, ওদের নামতো তোমরা বলো, অথবা তোমরা কি আল্লাহ তায়ালাকে এমন (শরীকদের) সম্পর্কে খবর দিতে চাচ্ছো, এ যমীনে যাকে তিনি জানেনই না এটা কি তাদের মুখের কথা মাত্র? আসল কথা হচ্ছে,) যারা কুফরী করেছে তাদের চোখে তাদের এই প্রতারণাকে শোভন করে দেয়া হয়েছে, আল্লাহ তায়ালার পথ (পাওয়া) থেকে তাদের অবরোধ করে রাখা হয়েছে; আল্লাহ তায়ালা যাকে গোমরা করেন তার জন্যে পথের দিশা দেখানোর (আসলেই) কেউ নেই। এদের জন্যে দুনিয়ার জীবনে অনেক শাস্তি আছে, তবে আখেরাতে যে আযাব রয়েছে তা তো নিঃসন্দেহে বেশী কঠোর, (মূলত) আল্লাহ (-এর ক্রোধ) থেকে তাদের বাঁচাবার মতো কেউ নেই।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ৩৩-৩৪)

আবুশ শায়খ

হযরত আবূ হুরায়রার (রাঃ) বর্ণনায় রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ হে মুসলমানগণ! তোমরা চিন্তাভাবনার অভ্যাস গড়ে তোল এবং আল্লাহ তায়ালার নেয়ামত সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা কর। সাবধান, আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করো না।

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে তারা সবাই ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক , আল্লাহ তায়ালাকে সাজদা করে চলেছে, (এমনকি) সকাল সন্ধ্যায় তাদের ছায়াগুলোও (তাদের মালিককে সাজদা করছে)।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ১৫)


সে ব্যক্তি কি জানে যে, তোমার মালিকের পক্ষ থেকে যা কিছু তোমার উপর নাযিল করা হয়েছে তা একান্তই সত্য, সে কি করে এমন ব্যক্তির মতো হবে যে (এসব কিছু দেখেও) অন্ধ (হয়ে থাকে); একমাত্র বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরাই শুধু উপদেশ গ্রহণ করতে পারে, (এরা সেসব লোক) যারা আল্লাহর সাথে (আনুগত্যের) চুক্তি মেনে চলে এবং কখনো পরিশ্রুতি ভংগ করে না, এবং আল্লাহ তায়ালা যেসব (মানবীয়) সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখতে আদেশ করেছেন যারা তা রেখে চলে, যারা নিজেদের মালিককে ভয় করে, আরো যারা ভয় করে (কেয়ামতের) কঠোর হিসাবকে;

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ১৯-২১)


যারা ঈমান আনে এবং নেক কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে যাবতীয় সুখবর ও শুভ পরিণাম।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ২৯)

বেহেশতী গওহর

পুরুষ ও নারীর নামায পড়ার নিয়মে যেসব পার্থক্য রয়েছে, সেগুলো নিম্নে উদ্ধৃত করা হলঃ

(১) তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় পুরুষের উচিত চাদর ইত্যাদি থেকে হাত বের করে কান পর্জন্ত তোলা, যদি শীত ইত্যাদির কারণে হাত ভেতরে রাখার প্রয়োজন না হয়। কিন্তু নারীরা সর্বাবস্থায় হাত বের না করেই কাঁধ পর্জন্ত উঠাবে।

(২) তাকবীরে তাহরীমার পরে পুরুষরা নাভীর নীচে এবং নারীরা বুকের উপর হাত বাঁধবে।

(৩) পুরুষেরা কনিষ্ঠ অঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা বৃত্ত তৈরী করে বাম কব্জি ধারণ করবে এবং ডান হাতের তিন অঙ্গুলি বাম কব্জির উপর বিছিয়ে রাখবে। কিন্তু নারীরা ডান হাতের তালু বাম হাতের তালুর পিঠে রেখে দেবে। বৃত্ত তৈরী করবে না এবং কব্জি ধারণ করবে না।

(৪) পুরুষদের উচিত রুকুতে এমনভাবে ঝুঁকে পড়া যে, মাথা নিতম্ব ও পিঠ সমতল হয়ে যায়; কিন্তু মহিলাদের এত বেশি ঝুঁকে পড়া উচিত নয় । তারা কেবল এতটুকু ঝুঁকবে যাতে তাদের হাত হাঁটু পর্জন্ত পৌছে যায়।

(৫) পুরুষরা রুকুতে অঙ্গুলিসমূহ ফাঁক করে হাঁটুর উপর রাখবে এবং মহিলারা ফাঁক না করে বরং পরস্পর মিলিয়ে রাখবে।

(৬) রুকুর অবস্থায় পুরুষেরা কনুই পার্শ্ব থেকে আলাদা রাখবে এবং মহিলারা মিলিয়ে রাখবে।

(৭) পুরুষরা সেজদার সময় পেটকে ঊড়ু থেকে এবং বাহুকে বগল থেকে আলাদা রাখবে এবং মহিলারা এগুলো মিলিয়ে রাখবে।

(৮) পুরুষরা সেজদায় কনুইকে মাটি থেকে উপরে উঠিয়ে রাখবে এবং মহিলারা মাটিতে বিছিয়ে রাখবে।

(৯) পুরুষরা সেজদায় উভয় পা আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে খাড়া রাখবে এবং মহিলারা তা করবে না।

(১০) পুরুষরা বসার অবস্থায় বাম পায়ের উপর বসবে এবং ডান পা আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে খাড়া রাখবে। কিন্তু মহিলারা বাম নিতম্বের উপর ভর দিয়ে বসবে এবং উভয় পা ডান দিকে বের করে দেবে, যাতে ডান ঊরু বাম ঊরুর উপরে এসে যায় এবং ডান পায়ের গোছা বাম পায়ের গোছার উপরে থাকে।

(১১) মহিলাদের কোন সময় উচ্চসরে কেরাআত পড়ার অধিকার নেই। তারা সর্বদা নিরবে কেরাআত পাঠ করবে।

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

নিঃসন্দেহে আমি একে আরবী কোরআন (হিসেবে) নাযিল করেছি, যেন তোমরা (তা) অনুধাবন করতে পারো।

- সূরা ইউসুফ (আয়াত ২)


(হে নবী, এদের) তুমি বলে দাও, এহচ্ছে আমার পথ, আমি মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করি; আমি ও আমার অনুসারীরা পূর্ণাংগ সচেতনতার সাথেই (এ পথে) আহবান জানাই; আল্লাহ তায়ালা মহান, পবিত্র এবং আমি কখনো মোশরেকদের অন্তর্ভুক্ত নই।

- সূরা ইউসুফ (আয়াত ১০৮)

হাদিস - বুখারি

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে নবী করীম (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তায়ালা সে পুরুষদের প্রতি অভিসম্পাত করুন, যারা নারীদের চালচলন অনুসরণ করে এবং সেই নারীদের প্রতি অভিসম্পাত করুন, যারা পুরুষদের চালচলন অনুসরণ করে।

সোমবার, ২৭ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

এটা কখনো তোমার মালিকের কাজ নয় যে, কোনো জনপদকে অন্যায়ভাবে ধবংস করে দেবেন, (বিশেষ করে) যখন সে জনপদের অধিবাসীরা সংশোধনে নিয়োজিত থাকে।

- সূরা হুদ (আয়াত ১১৭)



আসমানসমূহ ও যমীনের যাবতীয় গায়ব বিষয় আল্লাহ তায়ালার জন্যেই (নিবেদিত) এবং এর সব কয়টি বিষয় তাঁর দিকেই ধাবিত হবে, অতএব (হে নবী), তুমি তাঁরই এবাদত করো এবং (বিপদে-আপদে) একান্তভাবে তাঁর ওপরই ভরসা করো; (হে মানুষ,) তোমরা যা কিছু করছো সে সম্পর্কে তোমার মালিক কিন্তু মোটেই বে-খবর নন।

- সূরা হুদ (আয়াত ১২৩)
 

রবিবার, ২৬ মে, ২০১৩

হাদিস শরীফ

হযরত আবূ হুরায়রার (রাঃ) বর্ণনা ঃ রসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেনঃ যালেম সম্পর্কে মযলুমের দোয়াকে মেঘমালার উর্ধ্বে তুলে নেয়া হয় এবং আকাশসমূহের দরজা এ দোয়ার জন্যে খুলে দেয়া হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ কিছু বিলম্বে হলেও আমি অবশ্যই তাকে সাহায্য করব।

আহমদ,তিরমিযী  

কুরআনের আয়াত

যদি আল্লাহ তায়ালা তোমাদের কোনো দুঃখ-কষ্ট দেন তাহলে তিনি ছাড়া অন্য কেউই নেই তা দূরীভুত করার, আবার তিনি যদি (মেহেরবানী করে) তোমার কোনো কল্যাণ চান তাহলে তাঁর সে অনুগ্রহ রদ করারও কেউ নেই; তিনি তাঁর বান্দাদের যাকে চান তাকেই কল্যাণ পৌঁছান; আল্লাহ তায়ালা বড়োই ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ১০৭)


অথবা এরা কি (একথা) বলে, (মোহাম্মদ নামের) সে (ব্যক্তি কোরআন) নিজে নিজে রচনা করে নিয়েছে! (হে নবী, তুমি (তাদের) বলো, তোমরা (যদি তাই মনে করো) তাহলে নিয়ে এসো এর অনুরূপ স্বরচিত দশটি (তোমাদের স্বরচিত) সূরা এবং আল্লাহ তায়ালা ছাড়া অন্য যাদের তোমরা সাহায্যের জন্য ডাকতে পারো তাদের ডেকে নাও, যদি তোমরা তোমাদের দাবীতে সত্যবাদী হও।

- সূরা হুদ (আয়াত ১৩)

শনিবার, ২৫ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

(হে নবী,) ওদের কাছে তুমি নূহের কাহিনী শোনাও। যখন সে তার জাতিকে বলেছিলো, হে আমার জাতি, যদি তোমাদের উপর আমার অবস্থিতি ও আল্লাহর আয়াত সমূহ দ্বারা আমার উপদেশ (প্রদান) খুব দুঃসহ মনে হয়, তবে (শোনে রাখো), আমি (সম্পূর্ণরূপে) আল্লাহর ওপর ভরসা করি, অতপর তোমরা যাদের আমার সাথে শরীক বানাচ্ছো, তাদের (সবাইকে) একত্রিত করে (আমার বিরূদ্ধে তোমাদের) পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে নাও (দেখে নাও), যেন সে পরিকল্পনা (-এর কোনো বিষয় তোমাদের দৃষ্টির) আড়ালে না থাকে, অতপর আমার সাথে (তোমাদের যা করার) তা করে ফেলো এবং আমাকে কোনো অবকাশও তোমরা দিয়ো না।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৭১)



মূসা বললো, তোমরা কি সত্য সম্পর্কে এসব (বাজে) কথা বলছো যখন তা তোমাদের কাছে (প্রমাণসহ) এসে গেছে! (তোমরা কি মনে করো) এটা আসলেই যাদু? অথচ যাদুকররা কখনোই সফলকাম হয় না।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৭৭)




(হে নবী,) আমি তোমার ওপর যে কেতাব নাযিল করেছি, তাতে (বর্ণিত কোনো ঘটনার ব্যাপারে) যদি তোমার (মনে) কোনো সন্দেহ থাকে, তাহলে সেসব লোকের কাছে (এসব ঘটনা) জিজ্ঞেস করো, যারা তোমার আগে (তাদের উপর নাযিল করা) কেতাব পড়ে আসছে, অবশ্যই তোমার মালিকের কাছ থেকে সত্য এসেছে, তাই তুমি কখনো সন্দেহবাদীদের (দলে) শামিল হয়ো না। আর তুমি তাদের দলেও শামিল হয়ো না যারা আল্লাহর আয়াতসমূহ মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে, (এরূপ করলে) তুমি ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৯৪-৯৫)
 

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

(হে মানুষ, তোমরা পার্থিব জীবনের ধোকায় পড়ে আছো, অথচ) আল্লাহ তায়ালা তোমাদের (চিরস্থায়ী এক) শান্তির নিবাসের দিকে ডাকছেন; তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সহজ-সরল পথে পরিচালিত করেন।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ২৫)


এ কোরআন এমন (কোন গ্রন্থ) নয় যে, আল্লাহর (ওহী) ব্যতিরেকে (কারো ইচ্ছামাফিক একে) গড়ে দেয়া যাবে, বরং এ (গ্রন্থ) সেসব গ্রন্থের সত্যবাদিতার সাক্ষ্য দেয় যা আগে নাযিল হয়েছিলো, এতে কোনোরকম সন্দেহ নেই যে, এটা (হচ্ছে) সৃষ্টিকুলের মালিক আল্লাহ তায়ালার সত্য বিধানসমূহের বিশদ ব্যাখ্যা।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৩৭)


(হে মানুষ,) তিনিই মহান আল্লাহ তায়ালা, যিনি তোমাদের জন্যে রাত বানিয়েছেন, যাতে করে তোমরা তাতে বিশ্রাম গ্রহণ করতে পারো, আর দিনকে বানিয়েছেন আলোক (-উজ্জল), অবশ্যই এতে (আল্লাহ তায়ালার মহত্বের) অনেক নিদর্শন রয়েছে সে সম্প্রদায়ের জন্যে, যারা (নিষ্ঠার সাথে) শোনে।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৬৭) 

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে, ২০১৩

"শুক্রবার" কুরআনের আয়াত

(একে তিনি) প্রতিষ্ঠিত করেছেন (সহজ সরল একটি পথের উপর), যাতে করে আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে সে (নবী তাদের জাহান্নামের আযাবের ব্যাপারে) সতর্ক করে দিতে পারে এবং যারা ঈমানদার, যারা নেক কাজ করে, তাদের সে (এ মর্মে) সুসংবাদ দিতে পারে (যে) তাদের জন্যে আল্লাহর দরবারে উত্তম পুরস্কার রয়েছে, যেখানে তারা চিরকাল থাকবে।

- সূরা আল কাহাফ (আয়াত ২-৩)

কুরআনের আয়াত

(হে মানুষ,) তোমাদের মালিক হচ্ছেন আল্লাহ তায়ালা, যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীকে ছয় দিনে পয়দা করেছেন, অতপর তিনি 'আরশে' সমাসীন হন, তিনি (তার) কাজ (স্বহস্তে) নিয়ন্ত্রন করেন; কেউই তাঁর অনুমতি ছাড়া (কারো জন্যে) সুপারিশকারী হতে পারে না; এই হচ্ছেন তোমাদের মালিক আল্লাহ তায়ালা, অতএব তোমরা তাঁরই এবাদত করো; তোমরা কি (সত্যি কথা) অনুধাবন করবে না?

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৩)
 মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি সূর্যকে (প্রখর) তেজোদ্দীপ্ত বানিয়েছেন এবং চাঁদকে (বানিয়েছেন) জ্যোতির্ময়, অতপর (আকাশে) তার জন্য কিছু মনযিল তিনি নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, যাতে করে (এ নিয়ম দ্বারা) তোমরা বছরের গণনা এবং দিন-তারিখের হিসাবটা জানতে পারো; আসলে আল্লাহ তায়ালা যে এসব কিছু পয়দা করে রেখেছেন (তার) কোনোটাই তিনি অনর্থক করেননি; যারা (সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে) জানতে চায় তাদের জন্যে আল্লাহ তায়ালা তাঁর নিদর্শন খুলে খুলে বর্ণনা করেন।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ৫)
 
তারা (আরো) বলে, তার মালিকের কাছ থেকে তার উপর কোনো নিদর্শন অবতীর্ণ হয় না কেন? তুমি (তাদের) বলো, গায়েব সংক্রান্ত যাবতীয় জ্ঞান তো একমাত্র আল্লাহ তায়ালার জন্যে, অতএব (আল্লাহ তায়ালার সে গায়বী ফয়সালার জন্যে) তোমরা অপেক্ষা করো, (আর) আমিও তোমাদের সাথে (সেদিনের) প্রতীক্ষা করছি।

- সূরা ইউনুস (আয়াত ২০)

রবিবার, ৫ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (২২)

আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালা, তাঁর রসূল ও ঈমানদারদের নিজেদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে (তারা যেন জেনে রাখে) কেবল মাত্র আল্লাহ তায়ালার দলটিই বিজয়ী হবে।

- সূরা আল-মায়েদা (আয়াত ৫৬)

কুরআনের আয়াত (২১)

হে রসূল, যারা দ্রুতগতিতে কুফরীর পথে ধাবিত হচ্ছে তারা যেন তোমাকে দুঃখ না দেয়, এরা সে দলের (লোক) যারা মুখে বলে, আমরা ঈমান এনেছি, কিন্তু (সত্যিকার অর্থে তারা কখনো ঈমান আনেনি, আর (তাদের ব্যাপারও নয়) যারা ইহুদী- তারা মিথ্যা কথা শোনার জন্য কান খাড়া করে রাখে এবং (তাদের বন্ধু সম্প্রদায়ের) যেসব লোক কখনো তোমার কাছে আসেনি, এরা সেই অপর সম্প্রদায়ের জন্য কান খাড়া করে রাখে; আল্লাহর কেতাবের কথা গুলো আপন জায়গায় (বিন্যস্ত) থাকার পরেও এরা তা বিকৃতি করে বেড়ায় এবং (অন্যদের কাছে) এরা বলে, (হাঁ) যদি এ (ধরনের কোনো) বিধান তোমাদের দেয়া হয় তাহলে তোমরা তা গ্রহণ করো, আর সে ধরনের কিছু না দেয়া হলে তোমরা (তা থেকে) সতর্ক থেকো; (আসলে) আল্লাহ তায়ালা যার পথচ্যুতি চান, তাকে আল্লাহর (পাকড়াও) থেকে বাঁচানোর জন্য তুমি তো কিছুই করতে পারো না; এরাই হচ্ছে সেসব (হতভাগ্য) লোক, আল্লাহ তায়ালা কখনো যাদের অন্তরগুলোকে পাক-সাফ করার এরাদা পোষণ করেন না, তাদের জন্য পৃথিবীতে (যেমনি) রয়েছে অপমান (ও লাঞ্ছনা), পরকালেও (তেমনি) তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ আযাব।

- সূরা আল-মায়েদা (আয়াত ৪১)

শনিবার, ৪ মে, ২০১৩

সহীহ বুখারি

মুসলিম ইবন ইব্রাহীম (র)...... ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত নবী (সা) বলেন, আমাকে পূবালী হাওয়া দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। আর আদ জাতিকে পশ্চিমা বায়ু দিয়ে ধবংস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (২০)

যে ব্যক্তি কোনো ভাল কাজ করবে নর কিংবা নারী, সে যদি ঈমানদার অবস্থায়ই তা (সম্পাদন) করে, তাহলে (সে এবং তার মতো) সব লোক অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে, (পুরস্কার দেয়ার সময়) তাদের উপর বিন্দুমাত্রও অবিচার করা হবে না।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ১২৪)

বুধবার, ১ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৯)

যে কল্যাণই তুমি লাভ কর (না কেন, মনে রেখো) তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে, আর যেটুকু অকল্যাণ তোমার উপর আসে তা আসে তোমার নিজের কাছ থেকে; আমি তোমাকে মানুষদের জন্য রসূল বানিয়ে পাঠিইয়েছি; আর সাক্ষী হিসেবে তো আল্লাহ তায়ালাই যথেষট।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ৭৯)