মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৮)

এবং তোমরা আল্লাহরই ইবাদত কর এবং তাঁর সাথে কোন বিষয়ে অংশী স্থাপন করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর এবং আত্বীয়-স্বজনগণ, ইয়াতীমগণ, দরিদ্রগণ, সম্পর্কীয় প্রতিবেশী ও সম্পর্ক বিহীন প্রতিবেশী, পার্শবর্তী সহচর ও পথিক এবং তোমাদের দক্ষিণ হাত যাদের অধিকারী তাদের সাথেও সদ্ব্যবহার কর; নিশ্চয়ই আল্লাহ অহংকারী আত্মাভিমানীকে ভালবাসেন না।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ৩৬)

সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৭)

হে মু'মিনগণ! এটা তোমাদের জন্য বৈধ নয় যে , তোমরা বলপূর্বক নারীদের উত্তরাধিকারী হও এবং প্রকাশ্য অশ্লীলতা ব্যতীত তোমরা তাদেরকে যা প্রদান করেছ, তার কিয়দাংশ গ্রহণের জন্য তাদেরকে প্রতিরোধ করোনা এবং তাদের সাথে সদ্ভাবে অবস্থান কর; কিন্তু যদি পাপ অনুভব কর তবে তোমরা যে বিষয়ে দোষিত মনে কর আল্লাহ সেটাকে প্রচুর কল্যাণকর করতে পারেন।

- সূরা আন-নিসা (আয়াত ১৯)

কুরআনের আয়াত (১৬)

যদি আল্লাহ তোমাদেরকে সাহায্য করেন, তবে কেউই তোমাদের উপর জয়যুক্ত হবে না এবং যদি তিনি তোমাদেরকে পরিত্যাগ করেন, তবে তাঁর পরে কে আছে যে, তোমাদেরকে সাহায্য করে? এবং বিশ্বাসীগণ আল্লাহর উপরেই নির্ভর করে থাকেন।

- সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১৬০)

রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৫)

আর যখন তোমরা উপরের দিকে আহোরণ করে যাচ্ছিলে এবং কারো দিকে ফিরে দেখছিলে না (উহুদ যুদ্ধে কাফিরদের ভয়ে পাহাড়ে আরোহণপূর্বক পলায়ন করেছিলে) ও রাসূল তোমাদেরকে পশচাদ হতে আহবান করেছিলেন; অননতর ও তিনি তোমাদেরকে দুঃখের উপর দুঃখ প্রদান করলেন; কিন্তু যা অতিক্রানত হয়েছে এবং তোমাদের উপর যা উপনীত হয়নি তোমরা তজ্জন্য দুঃখ করোনা এবং তোমরা যা করছো আল্লাহ সে বিষয়ে অভিজ্ঞ। অননতর তিনি দুঃখের পরে তোমাদের উপর শান্তি অবতীর্ন করলেন তা ছিল তনদ্রা যা তোমাদের এক দলকে আচ্ছন্ন করেছিল, আর একদল নিজের জীবনের জন্য চিন্তা করছিল; তারা আল্লাহ সম্বনধে সত্যের বিনিময়ে অজ্ঞতার অনুরূপ ধারনা পোষণ করছিল, তারা বলছিল এ বিষয়ে কি আমাদের কোন অধিকার নেই? তুমি বলঃ সকল বিষয়ে আল্লাহর অধিকার; তারা নিজেদের অন্তরে যা গোপন রাখে, তা তোমার নিকট প্রকাশ করে না; তারা বলেঃ যদি এ বিষয়ে আমাদের কোন অধিকার থাকতো, তবে এখানে আমরা নিহত হতাম না; তুমি বলঃ যদি তোমরা তোমাদের গৃহের মধ্যেও থাকতে, তবুও যাদের প্রতি হত্যা বিধিবদ্ধ হয়েছে, তারা নিশ্চয়ই স্বীয় বধ্যস্থানে (গৃহে হলেও) এসে উপস্থিত হতো এবং এটা এজন্য যে তোমাদের অন্তরের মধ্যে যা আছে, আল্লাহ তা পরীক্ষা করেন এবং এরূপে তিনি তোমাদের হ্রদয়ে যা আছে তা নির্মল করে থাকেন; এবং আল্লাহ অন্তর্নিহিত ভাব পরিজ্ঞাত আছেন।

সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১৫৩-১৫৪)

সহীহ বুখারী ৪১৪

সুলায়মান ইবন হারব (র) ...... 'আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেনঃ নবী (সা) নিজের সমস্ত কাজ যথাসম্ভব ডানদিক থেকে আরম্ভ করা পছন্দ করতেন। পবিত্রটা হাসিলের সময়, মাথা আচরানোর সময় এবং জুতা পরিধানের সময়ও।

- সহীহ বুখারি

শনিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৪)

এবং মুহাম্মদ রাসূল ব্যতীত কিছুই নয়, নিশ্চয়ই তার পূর্বে রাসূলগণ বিগত হয়েছে, অননতর যদি তাঁর মৃত্যু হয় অথবা তিনি নিহত হন, তবে কি তোমরা পশ্চাদপদে ফিরে যাবে? এবং যে কেউ পশ্চাদপদে ফিরে যায়, তাতে সে আল্লাহর কোন অনিষট করবে না এবং আল্লাহ কৃতজ্ঞগণকে অচিরেই পুরসকার প্রদান করবেন।

সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১৪৪)

সহীহ বুখারী

আব্দুল্লাহ ইবন ইউসুফ (র) .... আনাস (রা) থেকে বর্ণিত , তিনি বলেনঃ আমি নবি (সাঃ) কে মসজিদে পেলাম তাঁর সাথে ছিলেন কয়েক জন সাহাবি । আমি দাড়িয়ে গেলাম। তিনি আমাকে বললেন ঃ তোমাকে কি আবু তালহা পাঠিয়েছেন? আমি বললাম জি হ্যা। তিনি বললেন : খাবার জন্য? আমি বললাম: জি হ্যা। তখন তাঁর আশেপাশে যারা ছিলেন, তিনি তাদেরকে বললেন : উঠ। তারপর তিনি চলতে শুরু করলেন। (রাবী বলেন) আর আমি তাদের সামনে সামনে চললাম। 

- সহীহ বুখারি

শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১৩)

আর তোমরা একযোগে আল্লাহর রজ্জুকে সুদৃঢ়রূপে ধারন কর ও বিভক্ত হয়ে যেয়ো না এবং তোমাদের প্রতি আল্লাহর যে নেয়ামত আছে তা স্মরণ কর, যখন তোমরা পরস্পর শ্ত্রু ছিলে তখন তিনিই তোমাদের অন্তঃকরণে প্রীতি স্থাপন করেছিলেন, তৎপরে তোমরা তার অনূগ্রহে ভ্রাতৃৎত্বে আবদ্ধ হলে এবং তোমরা অগ্নিকুন্ডের নিকটে ছিলে অনন্তর তিনিই তোমাদেরকে ওটা হতে উদ্ধার করেছেন; এরূপে আল্লাহ তোমাদের জন্যে স্বীয় নিদর্শনাবলি ব্যক্ত করেন যেন তোমরা সুপথ প্রাপ্ত হও।

- সূরা আল-ইমরান (আয়াত ১০৩)

বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১২)

মারইয়াম বললেন, হে আমার প্রতিপালক! কেমন করে আমার সন্তান হবে, অথচ কোন মানব সন্তান আমাকে স্পর্শ করেনি। আল্লাহ বললেনঃ এভাবেই আল্লাহ সৃষটি করেন যা ইচ্ছা করেন। যখন তিনি কোন কাজ করতে মনস্থ করেন তখন তাকে শুধু বলেন "হও", অমনি তা হয়ে যায়।

- সূরা আল-ইমরান (আয়াত ৪৭)

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১১)

শয়তান তোমাদেরকে অভাবের ভীতি প্রদর্শন করে এবং তোমাদেরকে অশ্লীল বিষয়ের আদেশ করে আর আল্লাহ তোমাদেরকে তাঁর নিকট হতে ক্ষমা ও দয়ার অঙ্গিকার করেন আর আল্লাহ হচ্ছেন অসীম করুনাময়, সর্বজ্ঞ।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২৬৮)

কুরআনের আয়াত (১০)

তাদেরকে সুপথ প্রদর্শনের দায়িত্ব তোমার উপর নেই; বরং আল্লাহ্ যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন এবং তোমরা ধন সম্পদ হতে যা ব্যয় কর বস্তুত তা তোমাদের নিজেদের জন্য; আর একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্ট লাভের চেষটায় ব্যতীত (অন্য কোন উদ্দেশ্যে) অর্থ ব্যয় করো না এবং তোমারা উত্তম সম্পদ হতে যা ব্যয় করবে তার পুরস্কার তোমরা পেয়ে যাবে। আর তোমাদের প্রতি অন্যায় করা হবে না।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২৭২)

সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (৯)

তোমরা নিজেদের শপথের জন্য আল্লাহর নামকে লক্ষ্যবস্তু বানিওনা, সৎকাজ, আত্মসংযম এবং মানুষের মাঝে মীমাংসা করে দেয়া থেকে বেচে থাকার উদ্দেশ্যে; বস্তুতঃ আল্লাহ্ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা। আল্লাহ তা'আলা তোমাদের নিরর্থক শপথসমূহের (অর্থহীন শপথের) জন্যে তোমাদেরকে ধরবেন না; কিন্তু তিনি তোমাদেরকে ঐসব শপথ সম্বন্ধে ধরবেন যে গুলো তোমাদের মনের সংকল্প আনুসারে সাধিত হয়েছে এবং আল্লাহ ক্ষমাশীল, ধৈর্জ্জশীল।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২২৪-২২৫)

রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৩

সহীহ বুখারী

ইয়াকুব ইবন ইব্রাহীম ও আদম (রা)... আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার পিতা, তার সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে বেশি প্রিয় হই।

- সহীহ বুখারী

কুরআনের আয়াত (৮)

যারা অবিশ্বাস করেছে, তাদের পার্থিব জীবন সুশোভিত করা হয়েছে এবং তারা বিশ্বাস স্থাপনকারিদেরকে উপহাস করে থাকে এবং যারা আল্লাহভীরু তাদেরকে উত্তথান দিবসে সমুন্নত রাখা হবে এবং আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আপিরিমিত জীবিকা দান করে থাকেন।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২১২)

কুরআনের আয়াত (৭)

হে মুমিনগণ! তোমরা পুর্ণরুপে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাংক অনুসরন করো না, নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শত্রু।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ২০৮)

কুরআনের আয়াত (৬)

এবং যখন আমার বান্দাগণ আমার সম্বন্ধে তোমাকে জিজ্ঞাসা করে, তখন তাদের বলে দাওঃ নিশ্চয় আমি সন্নিকটবর্তী; কোন আহবানকারী যখনই আমাকে আহবান করে তখনই আমি তার আহবানে সাড়া দিয়ে থাকি; সুতরাং তারাও যেন আমার আহবানে সাড়া দেয় এবং আমাকে বিশ্বাস করে, তা হলেই তারা সঠিক পথে চলতে পারবে।

- সুরা বাকারাহ্ (আয়াত ১৮৬)

শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (৫)

অতএব তোমরা আমাকেই স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করবো এবং তোমরা আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও ও আবিশ্বাসী হয়ো না।**

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১৫২)


 **আবূ হুরাইরা (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ নবী (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমার সম্পর্কে আমার বান্দা যেরূপ ধারণা পোষণ করে আমি অনুরুপ এবং সে যখন আমাকে স্মরণ করে আমি (ইলমের মাধ্যমে) তার সাথে থাকি। যখন সে আমাকে মনে মনে স্মরণ করে আমিও তাকে মনে মনে স্মরণ করি। আর যদি সে জামাতবদ্ধ ভাবে আমাকে স্মরণ করে তাহলে আমি এর চেয়েও উত্তম জামাত (ফেরেশতাদের মাঝে) স্মরণ করে থাকি যা তার জামাত থেকে উত্তম। আর সে যদি আমার দিকে এক বিঘত এগিয়ে আসে তাহলে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে যাই। আর সে যদি আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে তাহলে আমি তার দিকে এক গজ পরিমাণ অগ্রসর হই। আর বান্দা যদি আমার দিকে হেটে হেটে অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে দৌড়ে দৌড়ে অগ্রসর হই। (বুখারী, হাদিস নং ৭৪০৫)

কুরআনের আয়াত (৪)

নিশ্চয় আল্লাহ্ যা গ্রন্থে অবতীর্ণ করেছেন তা যারা গোপন করে ও তৎপরিবর্তে নগন্য মূল্য গ্রহন করে, নিশ্চয় তারা স্ব-স্ব উদরে অগ্নি ছাড়া অন্য কিছু ভক্ষণ করে না এবং কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১৭৪)

সহীহ বুখারীঃ ঈমান অধ্যায় (৩৮)

আবদুস সালাম ইবনে মুতাহ্হার (র).... .... আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ নিশ্চয়ই দীন সহজ সরল ; দীন নিয়ে যে বাড়াবাড়ি করে দীন তার উপর বিজয়ী হয়। কাজেই তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন কর এবং (মধ্যপন্থার) নিকটবর্তী থাক, আশান্নিত থাক এবং সকাল-সন্ধ্যায় ও রাতের কিছু অংশে (ইবাদতের মাধ্যমে) সাহায্য চাও।

- সহীহ বুখারী

শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (৩)

এবং যে কেউ আল্লাহর মসজিদ সমূহের মধ্যে তাঁর নাম উচ্চারণ করতে নিষেধ করেছে এবং তা ধ্বংস করতে প্রয়াস চালিয়েছে- তার অপেক্ষা কে অধিক অত্যাচারী? এ ধরনের ব্যাক্তিদের শঙ্কিত অবস্থায়ই তন্মধ্যে প্রবেশ করা উচিত; তাদের জন্য ইহলোকের দুর্গতি এবং পরলোকে কঠোর শাস্তি রয়েছে।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১১৪)

কুরআনের আয়াত (২)

তুমি কি জান না যে, আকাশ ও পৃথিবীতে আধিপত্য আল্লাহরই, এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধুও নেই এবং কোন সাহায্যকারীও নেই।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ১০৭)

সহীহ বুখারীঃ ঈমান অধ্যায় (১৭)

আবুল ইয়ামান (র)...'আয়িনুল্লাহ্ ইবন আব্দুল্লাহ (র) বলেন, বদর যুদ্ধে অংশগ্রহনকারী ও লায়লাতুল 'আকাবার একজন নকীব 'উবাদা এবনুস সামিত (রা) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর পার্শ্বে একজন সাহাবীর উপস্থিতিতে তিনি এরশাদ করেনঃ তোমরা আমার কাছে এই মর্মে বায়'আত গ্রহণ কর যে, আল্লাহর সঙ্গে কোন কিছু শরীক করবেনা, চুরি করবেনা, যিনা করবে না, তোমাদের সন্তানদের হত্যা করবেনা, কাউকে মিথ্যা অপবাদ দিবে না এবং নেক কাজে নাফরমা্নী করবে না। তোমাদের মধ্যে যে তা পূরণ করবে, তার বিনিময় আল্লাহর কাছে। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পড়লে এবং দুনিয়াতে তার শাস্তি পেয়ে গেলে, তবে তা হবে তার জন্য কাফফারা। আর কেউ এর কোন একটিতে লিপ্ত হয়ে পরলে এবং আল্লাহ তা অপ্রকাশিত রাখলে, তবে তা আল্লাহর ইচ্ছাধীন। তিনি যদি চান, তাকে মাফ করে দেবেন আর যদি চান, তাকে শাস্তি দেবেন। আমরা এর উপর বায়'আত গ্রহণ করলাম।

- সহীহ বুখারী

বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৩

কুরআনের আয়াত (১)

অনন্তর তোমরাই সেই লোক যারা (পরস্পর) তোমাদের নফস্ সমূহের হত্যা করছো এবং তোমরা তোমাদের মধ্য হতে এক দলকে তাদের গৃহ হতে বহিস্কৃত করে দিচছ, তাদের প্রতি শ্ত্রুতাবশতঃ অসৎ উদ্দেশ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে সাহায্য করছো এবং তারা বন্দি হয়ে তোমাদের নিকট আসলে তোমরা তাদেরকে বিনিময় প্রদান কর; অথচ তাদেরকে বহিস্কৃত করা তোমাদের জন্য অবৈধ; তবে কি তোমরা গ্রন্থের কিয়দংশ বিশ্বাস কর এবং কিয়দংশ অবিশ্বাস কর? অতএব তোমাদের মধ্যে যারা এরুপ করে তাদের পার্থিব জীবনে দুর্গতি ব্যতীত কিছুই নেই এবং কিয়ামত দিবসে তারা কঠোর শাস্তির দিকে নিক্ষিপ্ত হবে এবং তোমরা যা করছো আল্লাহ্ তদবিষয়ে অমনোযোগী নন।

- সূরা বাকারাহ্ (আয়াত ৮৫)