(এই)
সেই (মহা) গ্রন্থ (আল কোরআন), তাতে (কোনো) সন্দেহ নেই, যারা (আল্লাহ
তায়ালাকে) ভয় করে (এই কিতাব কেবল) তাদের জন্যেই পথ প্রদর্শক, যারা গায়েবের
উপর ঈমান আনে, যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে, তাদের আমি যা কিছু দান করেছি তারা
তা থেকে (আমার নির্দেশিত পথে) ব্যয় করে, যারা তোমার ওপর যা কিছু নাযিল করা
হয়েছে তার উপর ঈমান আনে- (ঈমান আনে) তোমার আগে (অন্য নবীদের ওপর) যা কিছু
নাযিল করা হয়েছে তার ওপর, (সর্বোপরি) তারা পরকালের
ওপরও দৃঢ় বিশ্বাস রাখে। (সত্যিকার অর্থে) এ লোকগুলোই তাদের মালিকের
(দেখানো) সঠিক পথের ওপর রয়েছে এবং এরাই হচ্ছে সফলকাম, যারা (এ বিষয়গুলো)
অস্বীকার করে, তাদের তুমি (পরকালের কথা বলে) সাবধান করো আর না করো,
(কার্যত) উভয়টাই (তাদের জন্যে) সমান (কথা), এরা কখনো ঈমান আনবে না।
- সূরা আল বাক্বারা (আয়াত ২-৬)
তুমি তো কেবল এমন লোককেই সর্তক করতে পারো যে (আমার) উপদেশ মেনে চলে এবং (সে অনুযায়ী) দয়াময় আল্লাহ তায়ালাকে না দেখে ভয় করে, (হ্যাঁ যে আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে) তুমি তাকে ক্ষমা ও মহা প্রতিদানের সুসংবাদ দান করো।
- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ১১)
অবশ্যই এ কোরআন এমন এক পথের দিকে নির্দেশনা দেয় যা অতি (সরল ও) মযবুত এবং যেসব ঈমানদার মানুষ নেক আমল করে, এ (কেতাব) তাদের (এ) সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে (আল্লাহর কাছে) এক মহাপুরস্কার রয়েছে।
- সূরা বনী ঈসরাঈল (আয়াত ৯)
যে ব্যক্তি হেদায়েতের পথে চলবে, সে তো চলবে একান্তভাবে নিজের (ভালোর) জন্যে, যে ব্যক্তি গোমরাহ হবে তার গোমরাহীর দায়িত্ব অবশ্যই তার উপর; (আসল কথা হচ্ছে, সেদিন) কেউই অন্য কারো (গুনাহের) ভার বইবে না; আর আমি কখনোই (কোন জাতিকে) আযাব দেই না, যতোক্ষণ না আমি (সেখানে আযাব থেকে সতর্ককারী) কোনো রসূল না পাঠাই।
- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ১৫)
কোনো ব্যক্তি দ্রুত (দুনিয়ার সুখ সম্ভোগ) পেতে চাইলে আমি তাকে এখানে তার জন্যে যতোটুকু দিতে চাই তা সত্বর দিয়ে দেই, (কিন্তু) পরিশেষে তার জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করে রাখি, যেখানে সে প্রবেশ করবে একান্ত নিন্দিত, অপমানিত ও বিতারিত অবস্থায়। (অপরদিকে) যারা আখেরাতে (ও তার সাফল্য) কামনা করে এবং তা পাওয়ার জন্যে যে পরিমাণ চেষ্টা করে, (সর্বোপরি) যারা হয় (সত্যিকার) মোমেন, (মূলত) তারাই হচ্ছে এমন লোক যাদের চেষ্টা সাধনা (আল্লাহর দরবারে) স্বীকৃত হয়।
- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ১৮-১৯)
তোমার মালিক আদেশ করেছেন, তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ইবাদত করো না এবং তোমরা (তোমাদের) পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো; তাদের একজন কিংবা উভয়ই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তাহলে তাদের (সাথে) বিরক্তিসূচক কিছু বলো না এবং কখনো ধমক দিয়ো না, তাদের সাথে সম্মানজনক ভদ্রনোচিত কথা বলো। অনুকম্পায় তুমি ওদের প্রতি বিনয়াবনত থেকো এবং বলো হে (আমার) মালিক, ওদের প্রতি (ঠিক সেভাবেই) তুমি দয়া করো, যেমনি করে শৈশবে ওরা আমাকে লালন পালন করেছিলো। (আসলে) তোমাদের মালিক তোমাদের অন্তরসমূহের ভেতর যা আছে তা ভালো করেই জানেন; তোমরা (সত্যই) যদি ভালো মানুষ হয়ে যাও তাহলে (আল্লাহ তায়ালা তা মাফ করে দেবেন, কেননা), যারা তাওবা করে তিনি তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেন।
- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ২৩-২৫)
- সূরা আল বাক্বারা (আয়াত ২-৬)
তুমি তো কেবল এমন লোককেই সর্তক করতে পারো যে (আমার) উপদেশ মেনে চলে এবং (সে অনুযায়ী) দয়াময় আল্লাহ তায়ালাকে না দেখে ভয় করে, (হ্যাঁ যে আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে) তুমি তাকে ক্ষমা ও মহা প্রতিদানের সুসংবাদ দান করো।
- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ১১)
অবশ্যই এ কোরআন এমন এক পথের দিকে নির্দেশনা দেয় যা অতি (সরল ও) মযবুত এবং যেসব ঈমানদার মানুষ নেক আমল করে, এ (কেতাব) তাদের (এ) সুসংবাদ দেয় যে, তাদের জন্যে (আল্লাহর কাছে) এক মহাপুরস্কার রয়েছে।
- সূরা বনী ঈসরাঈল (আয়াত ৯)
যে ব্যক্তি হেদায়েতের পথে চলবে, সে তো চলবে একান্তভাবে নিজের (ভালোর) জন্যে, যে ব্যক্তি গোমরাহ হবে তার গোমরাহীর দায়িত্ব অবশ্যই তার উপর; (আসল কথা হচ্ছে, সেদিন) কেউই অন্য কারো (গুনাহের) ভার বইবে না; আর আমি কখনোই (কোন জাতিকে) আযাব দেই না, যতোক্ষণ না আমি (সেখানে আযাব থেকে সতর্ককারী) কোনো রসূল না পাঠাই।
- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ১৫)
কোনো ব্যক্তি দ্রুত (দুনিয়ার সুখ সম্ভোগ) পেতে চাইলে আমি তাকে এখানে তার জন্যে যতোটুকু দিতে চাই তা সত্বর দিয়ে দেই, (কিন্তু) পরিশেষে তার জন্যে জাহান্নাম নির্ধারণ করে রাখি, যেখানে সে প্রবেশ করবে একান্ত নিন্দিত, অপমানিত ও বিতারিত অবস্থায়। (অপরদিকে) যারা আখেরাতে (ও তার সাফল্য) কামনা করে এবং তা পাওয়ার জন্যে যে পরিমাণ চেষ্টা করে, (সর্বোপরি) যারা হয় (সত্যিকার) মোমেন, (মূলত) তারাই হচ্ছে এমন লোক যাদের চেষ্টা সাধনা (আল্লাহর দরবারে) স্বীকৃত হয়।
- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ১৮-১৯)
তোমার মালিক আদেশ করেছেন, তোমরা তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কারো ইবাদত করো না এবং তোমরা (তোমাদের) পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করো; তাদের একজন কিংবা উভয়ই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়, তাহলে তাদের (সাথে) বিরক্তিসূচক কিছু বলো না এবং কখনো ধমক দিয়ো না, তাদের সাথে সম্মানজনক ভদ্রনোচিত কথা বলো। অনুকম্পায় তুমি ওদের প্রতি বিনয়াবনত থেকো এবং বলো হে (আমার) মালিক, ওদের প্রতি (ঠিক সেভাবেই) তুমি দয়া করো, যেমনি করে শৈশবে ওরা আমাকে লালন পালন করেছিলো। (আসলে) তোমাদের মালিক তোমাদের অন্তরসমূহের ভেতর যা আছে তা ভালো করেই জানেন; তোমরা (সত্যই) যদি ভালো মানুষ হয়ে যাও তাহলে (আল্লাহ তায়ালা তা মাফ করে দেবেন, কেননা), যারা তাওবা করে তিনি তাদের (গুনাহ) মাফ করে দেন।
- সূরা বনী ইসরাঈল (আয়াত ২৩-২৫)