তিনি (ক্ষুদ্র একটি) শুক্রকণা থেকে (যে) মানুষ তৈরী করেছেন- (আশ্চর্যের ব্যাপার!) সে (এখানে এসে স্বয়ং তার স্রষ্টার সাথেই) প্রকাশ্য বিতর্ককারী বনে গেল!
- সূরা আন নাহল (আয়াত ৪)
(হে মানুষ,) তোমাদের মাবুদ তো একজন (তিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো মাবুদ নেই), অতপর যারা পরকালের উপর ঈমান আনে না তাদের অন্তরসমূহ (এমনিই সত্য) অস্বীকারকারী হয়ে পড়ে এবং এরা নিজেরাও হয় (দারুণ) অহংকারী। নিসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা জানেন, এরা যা কিছু গোপন করে এবং যা কিছু প্রকাশ করে, তিনি কখনো অহংকারীদের পছন্দ করেন না।
- সূরা আন নাহল (আয়াত ২২-২৩)
চিরস্থায়ী এক জান্নাত- যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হবে, (উপরন্তু) সেখানে যা কিছুই কামনা করবে তাই তাদের জন্যে (সরবরাহের ব্যবস্থা) থাকবে; এভাবেই আল্লাহ তায়ালা পরহেযগার ব্যক্তিদের (তাদের নেক কাজের) প্রতিফল দান করেন, এরা হচ্ছে তারা, ফেরেশতারা যাদের পবিত্র অবস্থায় মৃত্যু ঘটাবে, তারা (তাদের উদ্দেশে) বলবে, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, (দুনিয়ায়) তোমরা যে আমল করতে তারই কারণে আজ তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো।
- সূরা আন নাহল (আয়াত ৩১-৩২)
- সূরা আন নাহল (আয়াত ৪)
(হে মানুষ,) তোমাদের মাবুদ তো একজন (তিনি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো মাবুদ নেই), অতপর যারা পরকালের উপর ঈমান আনে না তাদের অন্তরসমূহ (এমনিই সত্য) অস্বীকারকারী হয়ে পড়ে এবং এরা নিজেরাও হয় (দারুণ) অহংকারী। নিসন্দেহে আল্লাহ তায়ালা জানেন, এরা যা কিছু গোপন করে এবং যা কিছু প্রকাশ করে, তিনি কখনো অহংকারীদের পছন্দ করেন না।
- সূরা আন নাহল (আয়াত ২২-২৩)
চিরস্থায়ী এক জান্নাত- যাতে তারা প্রবেশ করবে, যার পাদদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হবে, (উপরন্তু) সেখানে যা কিছুই কামনা করবে তাই তাদের জন্যে (সরবরাহের ব্যবস্থা) থাকবে; এভাবেই আল্লাহ তায়ালা পরহেযগার ব্যক্তিদের (তাদের নেক কাজের) প্রতিফল দান করেন, এরা হচ্ছে তারা, ফেরেশতারা যাদের পবিত্র অবস্থায় মৃত্যু ঘটাবে, তারা (তাদের উদ্দেশে) বলবে, তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, (দুনিয়ায়) তোমরা যে আমল করতে তারই কারণে আজ তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করো।
- সূরা আন নাহল (আয়াত ৩১-৩২)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন