শুক্রবার, ৩১ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

অনুসরণ করো এমন এক রাসূলের, যে তোমাদের কাছে (হেদায়েতের বিনিময়ে) কোনো প্রকার প্রতিদান চায় না, আসলে (যারাই তার অনুসরণ করবে) তারাই হবে হেদায়াতপ্রাপ্ত।

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ২১)






আমি কি তাঁকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো মাবুদ গ্রহণ করতে যাবো? (অথচ) দয়াময় আল্লাহ তায়ালা যদি (আমার) কোনো ক্ষতি করতে চান তাহলে ওদের কোনো সুপারিশই তা আমার কোনো কাজে আসবে না, না তারা কেউ আমাকে (ক্ষতি থেকে) উদ্ধার করতে পারবে!

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ২৩)




পবিত্র ও মহান সে সত্তা, যিনি সবকিছুকে জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছেন, (চাই তা) যমীনের উৎপন্ন উদ্ভিদ হোক, কিংবা (হোক) স্বয়ং তাদের নিজেদের থেকে, অথবা এমন সব সৃষ্টি থেকে হোক, যাদের (সম্পর্কে) মানুষ (এখনো) আদৌ (কিছু) জানেই না।

- সূরা ইয়াসিন (আয়াত ৩৬)
 

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

যদি পাহাড়সমূহকে কোরআন (-এর অলৌকিক ক্ষমতা) দিয়ে গতিশীল করে দেয়া হতো, কিংবা যমীন বিদীর্ণ করে দেয়া হতো, অথবা তার মাধ্যমে যদি মরা মানুষকে কথা বলানো যেতো (তবুও এ না-ফরমান মানুষগুলো ঈমান আনতো না), কিন্তু আসমান যমীনের সমস্ত ক্ষমতা একমাত্র তাঁরই (হাতে); অতপর ঈমানদাররা কি (একথা জেনে) নিরাশ হয়ে পড়লো যে, আল্লাহ তায়ালা চাইলে সমগ্র মানব সন্তানকেই হেদায়াত দিতে পারতেন; এভাবে যারা কুফরের পথ অবলম্বন করেছে তাদের কোনো না কোনো বিপর্যয় ঘটতেই থাকবে, কিংবা তাদের (নিজেদের উপর না হলেও) আশেপাশে তা আপতিত হতে থাকবে, যে পর্যন্ত না (তাদের জন্য) আল্লাহ তায়ালার চূড়ান্ত (আযাবের) ওয়াদা সমাগত হয়; অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা কখনোই  প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ৩১)


যিনি প্রত্যেকটি মানুষের উপর তাঁর দৃষ্টি প্রতিষ্ঠিত রাখেন যে, সে মানুষটি কি পরিমাণ অর্জন করেছে (তিনি কি করে অন্যদের মতো হবেন)? ওরা আল্লাহর সাথে শরীক করে রেখেছে; (হে নবী, এদের) তুমি বলো, ওদের নামতো তোমরা বলো, অথবা তোমরা কি আল্লাহ তায়ালাকে এমন (শরীকদের) সম্পর্কে খবর দিতে চাচ্ছো, এ যমীনে যাকে তিনি জানেনই না এটা কি তাদের মুখের কথা মাত্র? আসল কথা হচ্ছে,) যারা কুফরী করেছে তাদের চোখে তাদের এই প্রতারণাকে শোভন করে দেয়া হয়েছে, আল্লাহ তায়ালার পথ (পাওয়া) থেকে তাদের অবরোধ করে রাখা হয়েছে; আল্লাহ তায়ালা যাকে গোমরা করেন তার জন্যে পথের দিশা দেখানোর (আসলেই) কেউ নেই। এদের জন্যে দুনিয়ার জীবনে অনেক শাস্তি আছে, তবে আখেরাতে যে আযাব রয়েছে তা তো নিঃসন্দেহে বেশী কঠোর, (মূলত) আল্লাহ (-এর ক্রোধ) থেকে তাদের বাঁচাবার মতো কেউ নেই।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ৩৩-৩৪)

আবুশ শায়খ

হযরত আবূ হুরায়রার (রাঃ) বর্ণনায় রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ হে মুসলমানগণ! তোমরা চিন্তাভাবনার অভ্যাস গড়ে তোল এবং আল্লাহ তায়ালার নেয়ামত সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা কর। সাবধান, আল্লাহ তায়ালার অস্তিত্ব সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করো না।

বুধবার, ২৯ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে তারা সবাই ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক , আল্লাহ তায়ালাকে সাজদা করে চলেছে, (এমনকি) সকাল সন্ধ্যায় তাদের ছায়াগুলোও (তাদের মালিককে সাজদা করছে)।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ১৫)


সে ব্যক্তি কি জানে যে, তোমার মালিকের পক্ষ থেকে যা কিছু তোমার উপর নাযিল করা হয়েছে তা একান্তই সত্য, সে কি করে এমন ব্যক্তির মতো হবে যে (এসব কিছু দেখেও) অন্ধ (হয়ে থাকে); একমাত্র বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরাই শুধু উপদেশ গ্রহণ করতে পারে, (এরা সেসব লোক) যারা আল্লাহর সাথে (আনুগত্যের) চুক্তি মেনে চলে এবং কখনো পরিশ্রুতি ভংগ করে না, এবং আল্লাহ তায়ালা যেসব (মানবীয়) সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখতে আদেশ করেছেন যারা তা রেখে চলে, যারা নিজেদের মালিককে ভয় করে, আরো যারা ভয় করে (কেয়ামতের) কঠোর হিসাবকে;

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ১৯-২১)


যারা ঈমান আনে এবং নেক কাজ করে, তাদের জন্য রয়েছে যাবতীয় সুখবর ও শুভ পরিণাম।

- সূরা আর্ রা'দ (আয়াত ২৯)

বেহেশতী গওহর

পুরুষ ও নারীর নামায পড়ার নিয়মে যেসব পার্থক্য রয়েছে, সেগুলো নিম্নে উদ্ধৃত করা হলঃ

(১) তাকবীরে তাহরীমা বলার সময় পুরুষের উচিত চাদর ইত্যাদি থেকে হাত বের করে কান পর্জন্ত তোলা, যদি শীত ইত্যাদির কারণে হাত ভেতরে রাখার প্রয়োজন না হয়। কিন্তু নারীরা সর্বাবস্থায় হাত বের না করেই কাঁধ পর্জন্ত উঠাবে।

(২) তাকবীরে তাহরীমার পরে পুরুষরা নাভীর নীচে এবং নারীরা বুকের উপর হাত বাঁধবে।

(৩) পুরুষেরা কনিষ্ঠ অঙ্গুলি ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা বৃত্ত তৈরী করে বাম কব্জি ধারণ করবে এবং ডান হাতের তিন অঙ্গুলি বাম কব্জির উপর বিছিয়ে রাখবে। কিন্তু নারীরা ডান হাতের তালু বাম হাতের তালুর পিঠে রেখে দেবে। বৃত্ত তৈরী করবে না এবং কব্জি ধারণ করবে না।

(৪) পুরুষদের উচিত রুকুতে এমনভাবে ঝুঁকে পড়া যে, মাথা নিতম্ব ও পিঠ সমতল হয়ে যায়; কিন্তু মহিলাদের এত বেশি ঝুঁকে পড়া উচিত নয় । তারা কেবল এতটুকু ঝুঁকবে যাতে তাদের হাত হাঁটু পর্জন্ত পৌছে যায়।

(৫) পুরুষরা রুকুতে অঙ্গুলিসমূহ ফাঁক করে হাঁটুর উপর রাখবে এবং মহিলারা ফাঁক না করে বরং পরস্পর মিলিয়ে রাখবে।

(৬) রুকুর অবস্থায় পুরুষেরা কনুই পার্শ্ব থেকে আলাদা রাখবে এবং মহিলারা মিলিয়ে রাখবে।

(৭) পুরুষরা সেজদার সময় পেটকে ঊড়ু থেকে এবং বাহুকে বগল থেকে আলাদা রাখবে এবং মহিলারা এগুলো মিলিয়ে রাখবে।

(৮) পুরুষরা সেজদায় কনুইকে মাটি থেকে উপরে উঠিয়ে রাখবে এবং মহিলারা মাটিতে বিছিয়ে রাখবে।

(৯) পুরুষরা সেজদায় উভয় পা আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে খাড়া রাখবে এবং মহিলারা তা করবে না।

(১০) পুরুষরা বসার অবস্থায় বাম পায়ের উপর বসবে এবং ডান পা আঙ্গুলের উপর ভর দিয়ে খাড়া রাখবে। কিন্তু মহিলারা বাম নিতম্বের উপর ভর দিয়ে বসবে এবং উভয় পা ডান দিকে বের করে দেবে, যাতে ডান ঊরু বাম ঊরুর উপরে এসে যায় এবং ডান পায়ের গোছা বাম পায়ের গোছার উপরে থাকে।

(১১) মহিলাদের কোন সময় উচ্চসরে কেরাআত পড়ার অধিকার নেই। তারা সর্বদা নিরবে কেরাআত পাঠ করবে।

মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০১৩

কুরআনের আয়াত

নিঃসন্দেহে আমি একে আরবী কোরআন (হিসেবে) নাযিল করেছি, যেন তোমরা (তা) অনুধাবন করতে পারো।

- সূরা ইউসুফ (আয়াত ২)


(হে নবী, এদের) তুমি বলে দাও, এহচ্ছে আমার পথ, আমি মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করি; আমি ও আমার অনুসারীরা পূর্ণাংগ সচেতনতার সাথেই (এ পথে) আহবান জানাই; আল্লাহ তায়ালা মহান, পবিত্র এবং আমি কখনো মোশরেকদের অন্তর্ভুক্ত নই।

- সূরা ইউসুফ (আয়াত ১০৮)

হাদিস - বুখারি

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর রেওয়ায়েতে নবী করীম (সাঃ) বলেনঃ আল্লাহ তায়ালা সে পুরুষদের প্রতি অভিসম্পাত করুন, যারা নারীদের চালচলন অনুসরণ করে এবং সেই নারীদের প্রতি অভিসম্পাত করুন, যারা পুরুষদের চালচলন অনুসরণ করে।